Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস এন্ড ট্রিকস. Show all posts

Sunday, August 26, 2012

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে Mobileএ ভর্তির আবেদন

Leave a Comment
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২-১৩
শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন অনুষদের
১৪টি বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে ।
আর ভর্তির আবেদন করা যাবে মুঠোফোনের
মাধ্যমে।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত টেলিটকের প্রিপেইড সংযোগের
মাধ্যমে ভর্তির আবেদনপত্র পূরণ করা যাবে ।
আবেদন ফি ৫০০ টাকা এবং সার্ভিস চার্জ ৫০
টাকা লাগবে । ভর্তি পরীক্ষা হবে ১৫ ও ১৬
নভেম্বর ।
মুঠোফোনে ভর্তি ফরম পূরণের নিয়ম এখানে বলাহলোঃ
মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে COU
এইচএসসি শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম
তিনটি অক্ষর এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর
এইচএসসি পাসের সাল
এসএসসি শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিনটি অক্ষর এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর
এসএসসি পাসের সাল কাঙ্ক্ষিত ইউনিটের
কিওয়ার্ড লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস
করতে হবে । উদাহরণঃ COU DHA 123456
2012 DHA 123456 2010 A
উদাহরণটি ঢাকা বোর্ডের এবং COU A ইউনিটের জন্য । এখানে ১২৩৪৫৬-এর
জায়গায় যথাক্রমে আবেদনকারীর নিজের
এইচএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর
দিতে হবে। কেউ ২০১১ সালে এইচএসসি পাস
করে থাকলে ২০১২-এর জায়গায় ২০১১
লিখতে হবে । বিভিন্ন বোর্ডের জন্য
লিখতে হবে কুমিল্লা COM , বরিশাল BAR ,
চট্টগ্রাম CHI , সিলেট SYL , ঢাকা DHA ,
দিনাজপুর DIN , যশোর JES , রাজশাহী RAJ ,
মাদ্রাসা MAD , কারিগরি VOC , ব্যবসায়
শিক্ষায় ডিপ্লোমা DIB , বাণিজ্যে ডিপ্লোমা DIC , ব্যবসায়
ব্যবস্থাপনায় এইচএসসি HBM , বিদেশ OT ।
এসএমএস পাঠানোর পর সব তথ্য সঠিক
হলে ফিরতি এসএমএসে আবেদনকারীর নাম,
ভর্তি পরীক্ষার ফি ও একটি পার্সোনাল
আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (PIN) জানিয়েসম্মতি চাওয়া হবে । তখন ১৬২২২
নম্বরে আবেদনকারীকে আরেকটি এসএমএস
পাঠিয়ে সম্মতি জানাতে হবে।
সম্মতি জানানোর জন্য প্রথমে COU YES PIN
মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস
পাঠাতে হবে । এখানে মোবাইল ফোন নম্বরের জায়গায় আবেদনকারীর সঙ্গে যোগাযোগের
জন্য নিজে ব্যবহার করতে পারে এমন
কোনো অপারেটরের একটি মোবাইল নম্বর
লিখতে হবে ।
উদাহরণঃ COU YES 654321
01XXXXXXXXX এই উদাহরণের ৬৫৪৩২১-এর জায়গায়
আবেদনকারীর নিজ PIN বসাতে হবে।
উল্লেখ্য, সম্মতি জানিয়ে এসএমএস পাঠালেই
কেবল আবেদনকারীর মোবাইল ফোন
থেকে ভর্তি পরীক্ষার ফি ৫৫০
টাকা কেটে নেওয়া হবে, অন্যথায় কোনো ফি কাটা হবে না ।
আবেদনকারীর টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল
ফোনের পর্যাপ্ত পরিমাণ
টাকা থাকলে তা থেকে ভর্তি পরীক্ষার
নির্দিষ্ট ফি কেটে নিয়ে একটি এসএমএসের
মাধ্যমে সঙ্গে সঙ্গেই ভর্তি পরীক্ষার রোল নম্বর জানিয়ে দেওয়া হবে। একবার এসএমএস
করে আবেদনকরলে তা আর প্রত্যাহার
করা যাবে না ।
ও/এ লেভেলের
ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে নিচের উদাহরণ
অনুযায়ী ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস করতে হবে। উদাহরণঃ COU GCE 123456 2012 A
এখানে ১২৩৪৫৬-এর জায়গায় আবেদনকারীর এ
লেভেলের নিজ নিজ candidate
নম্বরটি বসাতে হবে ।
কোটায় ভর্তি হতে ইচ্ছুক আবেদনকারীর
ক্ষেত্রেঃ নির্দিষ্ট কোটায় আবেদন করতে নিম্নোক্ত উদাহরণ অনুযায়ী ১৬২২২
নম্বরে এসএমএস করতে হবে। নির্দিষ্ট
কোটাগুলো হলোঃ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান
কোটা (FFQ), আদিবাসী জাতি কোটা (TQ), অ-
আদিবাসী কোটা ( NTQ ), শারীরিক
প্রতিবন্ধী কোটা (PDQ)। এখানে অ- উপজাতি বলতে আদিবাসী অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বাঙালিদের
বোঝানো হয়েছে ।
উদাহরণঃ COU DHA 123456 2012 DHA
123456 2010 A FFQ
উদাহরণটি ঢাকা বোর্ডের এবং COU A
ইউনিটের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান (FFQ) কোটার জন্য।
Read More...

Tuesday, August 14, 2012

নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য GOOGLEথেকে সবচেয়ে ভালো সার্চরেজাল্ট পাওয়ার পদ্ধতি

Leave a Comment
গুগলের অসংখ্য সার্চ অপারেটর
আছে যেগুলো ব্যবহার করে আমরা আমাদের
কাঙ্ক্ষিত তথ্যের সার্চ রেজাল্টকে খুব
সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।
তবে সবগুলো অপারেটর মনে রাখাও
যে কারও পক্ষে খুবই কঠিন একটা ব্যাপার হয়ে দাড়াতে পারে। এ কারণেই এই
পোস্টে সবচেয়ে সাহায্যকারী এবং
বহুলব্যবহৃত কয়েকটি সার্চ ট্রিক্স আজ
আপনাদের সাথে শেয়ার করব।
যেগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই
আপনি আপনার কাঙ্ক্ষি তথ্যগুলি ইন্টারনেটে খুঁজে পাবেন
বলে আমার বিশ্বাস। প্রথমেই দেখা যাক গুগলের সার্চ
অপারেটরের
কমন সিনট্যাক্সটা কি?
Operator:parameter
দ্রষ্টব্য: কোলন চিহ্নের কোন পাশেই স্পেস
দেবেন না। আরও মনে রাখবেন সার্চ অপারেটরগুলো সব কেস সেনসিটিভ [sb]#site : এই অপারেটরটি যে কোন
নির্দিষ্ট ওয়েব সাইট কিংবা এর সাব
ডোমেইন
এ তথ্য খুঁজে বের করার জন্য খুবই কার্যকরী। উদাহরণ ১: sakib site:cricinfo.com এই
সার্চটি আপনাকে শুধুমাত্র
ক্রিকইনফো এবং এর
সাব-ডোমেইন থেকে সাকিবের উপর সমস্ত
ওয়েব পেজ রিটার্ন করবে।
উদাহরণ ২: Evolution site:edu – এই সার্চটি বিবর্তনের উপর শুধুমাত্র
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েব ডোমেইন
থেকে পাওয়া সার্চ রেজাল্ট
আপনাকে দেখাবে। #filetype : আপনি গুগলে এই অপারেটর
ব্যবহার করে যে কোন ধরণের প্রেজেন্টেশন
স্লাইড খুব সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন।
উদাহরণ ৩: Software design
filetype:ppt এটি ব্যবহার করতে পারেন
যখন আপনি সফটওয়্যার ডিজাইনের উপর পাওয়ার পয়েন্ট স্লাইড খুঁজছেন। উদাহরণ ৪: Software design
filetype:pdf সফটওয়্যার ডিজাইনের উপর
শুধুমাত্র পিডিএফ ফাইল সহ পেজ রিটার্ন
করবে।
উদাহরণ ৫: Software design
filetype:pdf site:edu এই সার্চটি আপনাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
ডোমেইন গুলো থেকে পিডিএফ ফাইল সহ
ওয়েবপেজ রিটার্ন করবে। #inurl : আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট
কি ওয়ার্ড কোন ওয়েব পেজের URL এ
খুঁজে পেতে চান তবে এই অপারেটরটি খুব
কাজে লাগবে।
উদাহরণ ৬: Inurl:bangla
আপনাকে যে সমস্ত ওয়েব পেজের URL এ bangla শব্দটি আছে শুধুমাত্র সে সমস্ত
ওয়েব পেজ রিটার্ন করবে।
উদাহরণ ৭: inurl:program filetype:java
এই সার্চটি জাভা সোর্স ফাইল রিটার্ন
করবে যেখানে program শব্দটি URL এ
উপস্থিত আছে। আপনি ইচ্ছা করলে allinurl অপারেটর ব্যবহার করতে পারেন যখন
আপনি একের অধিক কি ওয়ার্ড URL এ
খুঁজবেন।
যেমন: allinurl: bangla music #intitle: আপনি যদি পেজ টাইটেলে খুব কমন
কোন শব্দ খুঁজে পেতে চান তাহলে এটি খুবই
উপকারী।
উদাহরণ ৮: intitle:hacking আপনাকে এমন
সব ডকুমেন্ট সহ ওয়েব পেজ রিটার্ন
করবে যার টাইটেলে hacking শব্দটা আছে।
উদাহরণ ৯: intitle:hacking filetype:pdf
এই সার্চটি হ্যাকিংয়ের উপর পিডিএফ
ফাইল সহ ওয়েব পেজ রিটার্ন করবে।
আপনি যদি allintitle: একের অধিক কি ওয়ার্ড
টাইটেলে খুঁজে পাওয়ার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন । যেমন allintitle:hacking
virus filetype:pdf #define : গুগল সার্চকে যদি অভিধান
হিসাবে ব্যবহার করতে চান তবে এটা খুবই
সাহায্যকারী। ইন্টারনেটে অনেক
ডেডিকেটেড অভিধান সাইট
রয়েছে তবে গুগলের এই অপশনটি সেগুলোর
চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরী। উদাহরণ ১০: define:hacker
আপানকে hacker শব্দের
মানে ব্যাখ্যা করা আছে এমন সব ওয়েব পেজ
রিটার্ন করবে।
উদাহরণ ১১: define:netwrok security
আপানকে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির মানে সহ
সব ওয়েব পেজ রিটার্ন করবে।
দ্রষ্টব্য: define শব্দটির আগে কোন কিছু
টাইপ করা যাবে না। অথবা অন্য কোন
অপারেটরের
সাথে এটাকে একসাথে ব্যবহার করা যাবে না যেমনটা উপরে আমরা
দেখেছি। #OR: কয়েকটি সার্চ
রেজাল্টকে একসাথে করতে চাইলে এটি
ব্যবহার করা যায়। গুগল And
সার্চটি অটোমেটিক ভাবেই
কয়েকটি কি ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে ব্যবহার
করে থাকে। কিন্তু কখনও কখনও OR এর ব্যবহার খুবই দরকারি হতে পারে।
উদাহরণ ১২: hacking filetype:pdf OR
filetype:doc হ্যাকিংয়ের উপর উভয় ধরণের
ফাইল খুঁজে পেতে এটা আপনাকে সাহায্য
করবে। উদাহরণ ১৩: car site:en.wikipedia.org
OR site:howstuffworks.com গাড়ির
উপর তথ্যসহ ওয়েব পেজ সার্চ শুধুমাত্র এই
দুটি সাইটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবে।
দ্রষ্টব্য: OR অবশ্যই বড় হাতের
হবে এবং এর পরে কোলন ব্যবহার করা যাবেনা। আশা করি উপরের এই ট্রিক্সগুলি আজকের পর
থেকে ইন্টারনেটে খুব সহজেই এবং খুব
তাড়াতাড়ি আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্য
খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
Read More...

Monday, August 6, 2012

খাঁটি মধু কিভাবে চিনবেন

Leave a Comment
মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয়
পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার
বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ
করে মৌচাকে জমা করে রাখে।
পরবর্তীতে জমাকৃত পুস্পরস প্রাকৃতিক
নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রুপান্তর করে এবং কোষবদ্ধ
অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষন করে।

মধু একটি উচ্চ ওষধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল
পদার্থ এবং সুপেয়।সুন্দরবনের বেশিরভাগ
মধু কেওড়া গাছের ফুল থেকে উৎপন্ন হয়।
সুন্দরবনের মাওয়ালি সম্প্রদায়ের
লোকেরা মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ
করে এবং তা বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করে। চলুন তাহলে দেখে নিই খাঁটি মধু চেনার উপায়গুলোঃ খাঁটি মধুতে কোন কটু গন্ধ
থাকবে না। মানুষের জন্য বিষাক্ত
উপাদান প্রাকৃতিক
গাছে থাকলেও এর প্রভাব
মধুতে পড়ে না। মধু প্রিজারভেটিভ
গুণসম্পন্ন ও
পুষ্টিতে ভরপুর
একটি প্রাকৃতিক খাদ্য।
তাই মধুতে কোন
প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না। মধু উৎপাদন,
প্রক্রিয়াজাতকরন,
নিস্কাশন, সংরক্ষন ও
বোতলজাতকরনের সময় অন্য
কোন পদার্থের সংমিশ্রণ
প্রয়োজন হয় না। এছাড়া খাঁটি মধু চেনার কিছু পদ্ধতি আছে। এদের মধ্যে মুল কয়েকটি পদ্ধতি আলোচনা করা হলঃ মধুর দ্রাব্যতা পরীক্ষাঃ এ পদ্ধতিতে এক গ্লাস
পানিতে এক টেবিল চামচ
মধু নিতে হয়। তারপর
ধীরে ধীরে গ্লাসটি
ঝাঁকাতে হয়। ভেজাল মধু
পুরোপুরি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। আর মধু
যদি খাঁটি হয়
তাহলে পানিতে পুরোপুরি
দ্রবীভূত না হয়ে ছোট ছোট
পিণ্ডের আকারে অবস্থান
করে।

মধুর শিখা পরীক্ষাঃ একটি কটন উয়িক নিয়ে এর
এক প্রান্তকে মধুর
মধ্যে ডুবাতে হয়। তারপর
উঠিয়ে হালকা শেক
দিতে হবে। এবার
এটিকে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির শিখার
মধ্যে ধরলে যদি এটি
জ্বলতে থাকে তাহলে বুঝতে
হবে খাঁটি মধু। আর
যদি না জ্বলে তাহলে
বুঝতে হবে মধুতে পানি মেশানো আছে। যদি এমন
হয় যে, কটন উয়িকটি কিছু
ক্র্যাকলিং সাউন্ডসহ
জ্বলছে তাহলে বুঝতে হবে
মধুতে পানি মেশানোর
পরিমান অল্প। মধুর শোষণ পরীক্ষাঃ এ পদ্ধতিতে কয়েক ফোঁটা মধু
একটি ব্লটিং পেপারে
নিয়ে পর্যবেক্ষণ
করতে হয়। মধু
যদি ব্লটিং পেপারে
শোষিত হয়ে যায় তাহলে ভেজাল আর
যদি শোষিত না হয়
তাহলে আসল। এছাড়াও পিঁপড়া যদি মধু কর্তৃক আকর্ষিত হয়
তাহলে তা ভেজাল; আর আকর্ষিত
না হলে তা আসল বলা যাবে। আবার
মধুকে ফ্রিজের
মধ্যে রেখে দিলে যদি না জমে তাহলে তা
আসল; আর যদি জমাট তলানি হিসেবে অবস্থান
করে তাহলে তা ভেজাল মধু
হিসেবে প্রাথমিকভাবে ধরে নেয়া যেতে
পারে।
Read More...

Sunday, August 5, 2012

প্যারাসিটামল সম্পর্কে ১০টি তথ্য

Leave a Comment
১। প্যারাসিটামল সাধারণত
ব্যথানাশক ও
তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
২। পৃথিবীতে একশটিরও বেশি ওষুধের
সাথে মিশ্রিত করে এটি ব্যবহার করা হয় এবং বিশ্বজুড়ে ওটিসি ড্রাগ
হিসেবে পাওয়া যায়।
৩। প্রাপ্ত বয়স্কদের চার গ্রাম
অর্থাৎ আটটি ট্যাবলেট এর
বেশি কোনভাবেই একদিনে গ্রহণ
করা যাবে না। ৪। কোন ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধির
লক্ষ্যে প্যারাসিটামল মিশ্রিত
করা আছে কিনা এ বিষয়ে অবগত
থাকতে হবে।
৫। কখনো অ্যালকোহল পান করার পর
প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে না। ৬। প্যারাসিটামল খাওয়ার পর
অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট জাতীয়
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত
ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
৭। পাকস্থলীতে ব্যথা, অতিরিক্ত
ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি করা, ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ
দেখা দিলে প্যারাসিটামল
গ্রহণকারীকে দ্রুত
হাসপাতালে নিতে হবে।
৮। ডাক্তারের পরামর্শ
ছাড়া প্যারাসিটামল খেলে সঠিক নির্দেশিকা যেমন-জ্বরের জন্য
সর্বোচ্চ তিন দিন, ব্যথার জন্য
সর্বোচ্চ দশ দিন এরূপ নিয়মকানুন
মেনে চলতে হবে।
৯। গর্ভবতী মহিলা ও
দুগ্ধবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খাওয়া সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় কোনভাবেই
ডাক্তারের
অনুমতি ছাড়া খাওয়া যাবে না।
১০। সঠিক
নির্দেশনা অনুযায়ী খেলে প্যারাসিটামল একটি নিরাপদ ওষুধ কিন্তু
অতিমাত্রায় গ্রহণ বা দীর্ঘদিন
ব্যবহার করলে কিডনী ও লিভার এর
মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
Read More...

গ্রীন টি কেন উপকারী

Leave a Comment
গ্রীন টি বা সবুজ চা উপকারী এ
নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। তবে সবুজ
চা পানের একটা নিয়ম অনুসরণ
করতে হবে। সম্প্রতি গবেষণায়
দেখা গেছে সবুজ চা ‘কমন কোল্ড’
বা শীতকালীন ঠান্ডাজনিত সমস্যা রোধ করতে সহায়ক।
কানাডিয়ান গবেষকগণ গবেষণায়
দেখেছেন ঠান্ডাজনিত সমস্যার জন্য
দায়ী এডিনো ভাইরাস-এর বিস্তার
রোধে সবুজ চায়ের ইজিসিজি নামক এক
ধরনের রাসায়নিক যৌগ সাহায্য করে। গ্রীন টি যত বেশি গাঢ়
হবে (আমরা যাকে বলি কড়া চা) তত
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হবে।
বিশেষজ্ঞগণ আরো দেখেছেন গ্রীন
টি গরম পানিতে অন্তত ১০ মিনিট
রেখে দিলে প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধক রাসায়নিক যৌগ
বেশি নিঃসৃত হয়।
Read More...

নাকের ড্রপ বেশি ব্যবহার করবেন না

Leave a Comment
সর্দি হলেই যাদের নাক বন্ধ হয়ে যায়
তারা সাধারণত নাকের ড্রপ ব্যবহার
করেন। এই
ড্রপগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কাজ
করে। নাকে দুই-তিন ফোঁটা ড্রপ দেয়ার
কয়েক মিনিটের মধ্যে বন্ধ নাক খুলে যায়। স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস
নেয়া যায়। কিন্তু এই ড্রপগুলোর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যা মোটেই
সুখকর নয়। নাকের ড্রপ
একটানা তিন-চার দিন ব্যবহার
করলে নাসারন্ধের আবরণী কলাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়
এবং সাইনুসাইটিসের জটিলতা বাড়ে।
তাই নাকের ড্রপ যতই কম ব্যবহার
করা যায় ততই মঙ্গল। তবে দিনের
অধিকাংশ সময়ই যাদের নাক বন্ধ
থাকে এবং যারা এসব ড্রপের ওপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীল তাদের জন্য
একটি ভালো পরামর্শ রয়েছে। আর
তা হলো বিকল্প ন্যসাল ড্রপ।
ব্যবহার্য ন্যসাল ড্রপের অর্ধেক
ফেলে দিয়ে তাতে পানি ভরে নিতে হবে।
পানি অবশ্য কমপক্ষে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল
বিকল্প ন্যসাল ড্রপ। এই ড্রপটি এক
নাগাড়ে ছয়-সাত দিন ব্যবহার
করা যাবে।
Read More...

Saturday, August 4, 2012

সাপে কাটলে আপনাকে যা করতে হবে

Leave a Comment
সাপে কাটা রোগীকে সাহস
দিতে হবে যাতে সে আতন্কিত
না হয়৷ এসময় যা দরকার
তাহলো জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক
চিকিত্সা দেয়া প্রয়োজনে হাসপাতালে পাঠানো৷
সাপের কামড় বা দংশিত স্থান
কোনো কিছু দিয়ে কাটা উচিত নয়৷
কেবলমাত্র ভিজে কাপড়
দিয়ে কিংবা জীবাণুনাশক লোশন
দিয়ে ক্ষতস্থান মুছে দিতে হবে৷ দংশিত স্থান থেকে ভিতরের
দিকে সাথে সাথে গামছা বা কাপড়
দিয়ে কেবলমাত্র একটি গিট
(পায়ে দংশন করলে রানে,
হাতে দংশন করলে কনুইয়ের
উপরে গিট) এমনভাবে দিতে হবে যেন খুব
আঁটসাট বা ঢিলে কোনোটাই না হয়
(যেন একটি আঙ্গুল একটু চেষ্টায়
ভিতরে যেতে পারে)৷ সাপে কাটার স্থান
বেশি নড়াচড়া করা যাবে না কারণ
মাংসপেশী সংকোচন করলে বিষ
দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷
োগীকে দ্রুত
হাসপাতালে পাঠাতে হবে এবং কোনোভাবেই
হাটতে দেওয়া যাবে না৷
রোগীকে কাঁধে, খাটিয়ায়
বা দোলনায়
করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ৷ সম্ভব হলে যে সাপে কামড়
দিয়েছে তার প্রজাতি ও
সেটি বিষধর কিনা তা নিরুপনের
জন্য সঙ্গে নিতে হবে৷
এক্ষেত্রে সাপটি মৃত
কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন৷
জরুরি কোনো উপসর্গ
না থাকলে বিষদাতের চিহ্ন
পরীক্ষার জন্য দংশিত স্থান
পরীক্ষা করে দেখা জরুরি৷
বিষদাঁতের দাগ প্রায় আধা ইঞ্চি ফাঁকে দুটি খোচা দেয়ার
চিহ্ন হিসাবে অথবা কেবল আঁচড়ের
দাগ হিসেবে দেখা যেতে পারে৷
দুটো বিষদঁাতের চিহ্ন
পরিষ্কারভাবে থাকলে মনে করা হয়
সাপটি সম্ভবত বিষধর৷ কিন্তু বিষদাঁতের চিহ্ন না থাকলেও
বিষধর সাপের কামড় হতে পারে৷ কামড়ানোর স্থানে চামড়ার রঙ
বদলে যেতে পারে৷ যেমন
কালচে হওয়া, ফুলে যাওয়া,
ফোসকা পড়া, পচন
ধরা ইত্যাদি হতে পারে আবার
চামড়াতে কোনো পরিবর্তন নাও হতে পারে৷
Read More...

উত্তেজক ওষুধ নিষেধ

Leave a Comment
আজকাল তরুণ থেকে বয়স্ক লোক
পর্যন্ত কারণে-অকারণে উত্তেজক
ওষুধ সেবন করেন। এমনকি উত্তেজক
ওষুধ সেবনকারীদের একটি বড় অংশ
অবিবাহিত তরুণ, ছাত্র, যুবক। ওষুধের
দোকানে চাইলেই এসব মারাত্মক ক্ষতিকর ওষুধ পাওয়া যায়। কোন
প্রকার ব্যবস্থাপত্র লাগে না।
ফলে হাজার হাজার পুরুষ অযথা এসব
ওষুধের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার
শিকার হচ্ছেন। কেবলমাত্র যাদের
শারীরিক সমস্যা আছে তারাই কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ
অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধ সেবন
করতে পারেন। উত্তেজক ওষুধের
সহজপ্রাপ্যতার কারণে বেশীরভাগ
ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ
ছাড়া এসব ওষুধের মারাত্মক অপব্যবহার হচ্ছে। ফলে তরুণদের
স্বাভাবিক শারীরিক ক্ষমতা নষ্ট
হচ্ছে। এসব
কারণে একেবারে নবাগতদের দাম্পত্য
জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। তরুণদের
মধ্যে জন্ম নিচ্ছে বিবাহ-ভীতি। তাই কোন অবস্থাতেই তরুণদের কোন
ধরণের উত্তেজক ওষুধ সেবন
বাঞ্ছনীয় হতে পারে না। তবে যাদের
বয়স ৫০ এর বেশী, শারীরিক
সমস্যা রয়েছে এমন পুরুষ সংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধটি নির্দেশিকা অনুযায়ী
সেবন করতে পারেন। আর যাদের
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির
সমস্যা, বুকে ব্যথা সহ অন্যান্য
হার্টের সমস্যা রয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট
চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত উত্তেজক ওষুধ খাবেন না।
এছাড়া বাজারে হারবাল টনিক ও
হার্বাল শক্তি বর্ধকের নামে যেসব
ওষুধ অবাধে নিয়ন্ত্রনহীন
ভাবে বিক্রয় হচ্ছে তাও অত্য-
ক্ষতিকর। এসব ওষুধের চেয়ে মনের জোর বাড়ানো ও নিয়মিত ব্যায়াম
করা ফলদায়ক।
Read More...

কফি হার্টের সুরক্ষা করে

Leave a Comment
কফি শুধু
আপনার
এনার্জি বাড়িয়ে দেবে তা নয়।
মনকে চাঙ্গা করার সঙ্গে আপনার
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনকেও স্বাভাবিক
করে তুলবে কফি। সমপ্রতি একটা গবেষণাতে এই তথ্যই
প্রমাণিত হয়েছে। কিছুদিন আগেই
আমেরিকাতে কফির গুণাগুণ
নিয়ে গবেষণা করেছিলেন ডা. আর্থার
ক্লাটস্কাই। তিনি ১৩০,০৫৪ জন
পুরুষ- মহিলাকে নিয়ে গবেষণা করেছিলেন।
যাদের প্রত্যেকেরই বয়স ছিল ১৮
থেকে ৯০ বছরের মধ্যে। এদের
মধ্যে যারা প্রতিদিন চার কাপ বা তার
বেশি কফি খেয়েছেন তাদের মধ্যে হার্ট
সংক্রান্ত নানা সমস্যা ১৮% কমে গেছে। অপরদিকে যারা এক
থেকে তিন কাপ কফি খেয়েছেন তাদের
৭% হার্টের সমস্যা কম হয়েছে।
Read More...

কম ঘুমানো ক্ষতিকর

Leave a Comment
রাতজাগা এখন ক্রেজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেউ রাত জেগে প্রেমিকের
সঙ্গে চুটিয়ে গল্প করে। কেউ রাত
জেগে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। আবার
কেউ গভীর রাতে পার্টির
আমোদে মেতে সারা রাত পার করে। তবে যারা রাতে সাধারণত
না ঘুমিয়ে অন্য কাজে সময় ব্যয়
করে থাকেন তারা এবার হুশিয়ার
হয়ে যান। কারণ, গবেষণা বলছে,
রাতে না ঘুমানোর ফলে আপনার
স্বাস্থ্য ভীষণভাবে প্রভাবিত হবে। মেটাবলিক ডিজিজ
ছাড়া রাতে না ঘুমানোর ফলে আপনার
ওজনও বেড়ে যেতে পারে। অর্থাত্
আপনি হঠাত্
করে মোটা হয়ে যেতে পারেন।
কিছুদিন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে ফরেস্ট
ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের
গবেষকরা গবেষণা করেছিলেন। তাদের
গবেষণালব্ধ তথ্য
থেকে যা উঠে এসেছে তা হলো কম
ঘুমানো যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ, সে রকম অত্যধিক ঘুমানোর ফলেও
স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
গবেষকদের মতে প্রতিদিন রাতে ছয়
থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। এই
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলেই আপনি নিজের
বিপদ ডেকে আনবেন।
Read More...

Thursday, August 2, 2012

মুখে দুর্গন্ধ ও মাঢ়ির রক্তপড়া

1 comment
আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন
যারা মুখের দুর্গন্ধের জন্য প্রায়ই
বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।
অফিস, বাসা, স্বামী, স্ত্রী, বন্ধু-
বান্ধবের আড্ডা কোথাও
মনখুলে কথা বলতে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শুধু মুখের দুর্গন্ধের জন্য। আবার
অনেকেই আছেন যাদের মুখ থেকে থুথু
ফেললে বা ব্রাশ
করলে বা যে কোনো জিনিস দিয়ে অল্প
খোচা লাগলেও রক্ত পড়ে সাধারণত
ডেন্টাল প্লাক, কেলকুলাস (পাথর) ও জিনজিভাইটিস, এই
তিনটি কারণে মুখে দুর্গন্ধ
এবং রক্তপড়ার সমস্যা হয়। এই
সমস্যা দূর করার জন্য ডেন্টাল
স্কেলিং করতে হবে এবং সাথে সাথে ওষুধ
এবং ভিটামিন-সি খেতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে তা থেকে ১৪
দিনের মধ্যে খুব সহজেই এই সমস্যা দূর
হয়ে যায়।
Read More...

Tuesday, July 31, 2012

বাচ্চাকে কীভাবে সবজি খাওয়াবেন

Leave a Comment
আজকালকার বাচ্চারা সবজি একদমই খেতে চায়
না। তারা তো জানে না সবজি শরীরের
সুস্থতার জন্য কতটা জরুরি। তাতে কী,
মায়েরা নিশ্চয়ই জানেন, সবজি থেকেই
আমরা শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক
ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ, চর্বি ও ফাইবার পেয়ে থাকি। সবজি খাবার হজমে সাহায্য করে,
ক্ষুধা বাড়ায়, লালাগ্রন্থির
কার্যকারিতা বাড়ায়, গ্যাস্ট্রিক
নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া সবজির এমন
আরো যে কত গুণ আছে বলে শেষ করা যাবে না।
তাই বাচ্চাদের খাবারের তালিকায় প্রতি বেলায় ভাত, রুটি, মাছ, মাংস ও ডালের
সঙ্গে অবশ্যই কিছু সবজি খাওয়ার অভ্যাস
গড়ে তুলতে হবে। কিন্তু বাচ্চাদের সবজি খাওয়ানো খুব সহজ
কাজ নয়। এর জন্য হওয়া দরকার
কৌশলী এবং রান্নায় দরকার বৈচিত্র্য।
এখানে থাকল কিছু পরামর্শ। দেখুন কাজ
করে কিনা। * শিশুদের পছন্দমতো রান্না করুন।
প্রয়োজনে সবজির মধ্যে মুরগীর মাংস
দিয়ে দিন।
* কয়েক রঙের সবজি রান্না করুন। একটু
কর্নফাওয়ার আর ডিম দিন।
* সবজি দিয়ে কাটলেট তৈরি করুন, বার্গারও করে দিতে পারেন।
* বাচ্চারা ঝাল খেতে পারে না। তাই
রান্নার
পরে সবজিতে হালকা চিনি মিশিয়ে দিন।
* সবজি কেনার সময় খেয়াল করতে হবে,
এগুলো যেন তরতাজা থাকে। * রান্নার সময় খেয়াল রাখতে হবে,
সবজি কেনার পর যত দ্রুত সম্ভব
রান্না করতে হবে।
* সবজি ধোয়ার জন্য বেশি সময়
পানিতে ভিজিয়ে রাখা যাবে না। তাহলে, আজ থেকেই শুরু হোক সবজি খাওয়া আর
খাওয়ানোর অভিযান!
Read More...

Saturday, July 28, 2012

গ্রামীণফোনেরসবগুলো ইন্টারনেট প্যাকেজেরবিস্তারিত

Leave a Comment
রযেকোনো সময়
যেকোনো স্থানে ইন্টারনেটের
মাধ্যমে অনলাইনে জাওয়ার জন্য
গ্রামীনফোনের রয়েছে সেরা কভারেজ ও
সুযোগ-সুবিধা। গ্রামীণফোন
ইতিমধ্যে যেসব উপায়ে সবার মাঝে ইন্টারনেটের
আলো পৌঁছে দিয়েছে সেগুলো হলঃ
১) ডেস্কটপ ও ল্যাপটপ
ব্রাউজিং ঃ মোবাইলকে মোডেম
হিসেবে ব্যবহার করে অথবা ইন্টারনেট
মোডেম ব্যবহার করে ২) মোবাইল স্ক্রিন
ব্রাউজিং ঃ মোবাইলে WAP/ইন্টারনেট
ব্রাউজিংবিভিন্ন গ্রাহকের চাহিদার উপর
ভিত্তি করে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন
প্যাকেজগুলোর বিস্তারিত
বর্ণনা নিচে দেওয়া হলঃ হ্যান্ডসেট ভিত্তিক ব্রাউজিং ১) ব্যবহারভিত্তিক মিনিপ্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ শুধুমাত্র প্রিপেইড। বিস্তারিতঃ ০.০২ টাকা/কিলোবাইট হিসেবে প্রতিদিন রাত ১২ টা থেকে রাত
১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত । মূল্যঃ প্রতিদিন সর্বচ্চ ২০ টাকা। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ P1 লিখে 5000 নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হয়। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *577*5# ডায়াল করে। ২) পে অ্যাজ ইউ গো (P1) যে সিমে প্রযোজ্যঃ শুধুমাত্র পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ প্রতি কিলোবাইট ০.০২ টাকা + ভ্যাট হারে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে P1 লিখে 5000 নম্বরে সেন্ড করুন। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। ৩) ১৫ মেগাবাইট মিনিপ্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ১৫ দিন মেয়াদে ১৫ মেগাবাইট ডাটা ব্যবহার ২৯ টাকা +
ভ্যাট খরচে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে 15 লিখে 5000 নম্বরে সেন্ড করুন। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *500*60# ডায়াল করে। সতর্কতাঃ ১৫ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনার অ্যাকাউন্ট এ যথেষ্ট পরিমান
ব্যালেন্স থাকলে প্যাকেজটি পুনরায়
অটোম্যাটিকালি চালু হয়ে যাবে।
আপনি যদি অটো রিনিউ না করতে চান
তাহলে OFF টাইপ করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন
5000 নম্বরে। ৪) ৯৯ মেগাবাইট মিনিপ্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ১৫ দিন মেয়াদে ৯৯ মেগাবাইট ডাটা ব্যবহার ৯৯ টাকা +
ভ্যাট খরচে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে 99 টাইপ করে পাঠিয়ে দিন 5000 নম্বরে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ ডায়াল করুন *500*60#। সতর্কতাঃ ১৫ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনার অ্যাকাউন্ট এ যথেষ্ট পরিমান
ব্যালেন্স থাকলে প্যাকেজটি পুনরায়
অটোম্যাটিকালি চালু হয়ে যাবে।
আপনি যদি অটো রিনিউ না করতে চান
তাহলে OFF টাইপ করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন
5000 নম্বরে। ৫) ৩ মেগাবাইট মিনিপ্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ শুধুমাত্র প্রিপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৭ দিন মেয়াদে ৩ মেগাবাইট ডাটা + ৩ টি এমএমএস ব্যবহার
৯ টাকা + ভ্যাট খরচে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে 3MB লিখে 5000 নম্বরে সেন্ড করুন। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *500*60#। সতর্কতাঃ ৭ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনার অ্যাকাউন্ট এ যথেষ্ট পরিমান
ব্যালেন্স থাকলে প্যাকেজটি পুনরায়
অটোম্যাটিকালি চালু হয়ে যাবে।
আপনি যদি অটো রিনিউ না করতে চান
তাহলে OFF টাইপ করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন
5000 নম্বরে। ৬) ১ মেগাবাইট মিনিপ্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ শুধুমাত্র প্রিপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ২ দিন মেয়াদে ১ মেগাবাইট ডাটা + ২০ টি এসএমএস
ব্যবহারের খরচ ২.৫০ টাকা + ভ্যাট। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে 1MB টাইপ করে 5000 নম্বরে সেন্ড করুন। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *500*60#। ৭) P6 প্যাকেজ (১ গিগাবাইট) যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ৩০০
টাকা + ভ্যাট খরচে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ P6 লিখে মেসেজ পাঠিয়ে দিতে হবে 5000
নম্বরে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *500*60# ডায়াল করুন। সতর্কতাঃ ৩০ দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আপনার অ্যাকাউন্ট এ যথেষ্ট পরিমান
ব্যালেন্স থাকলে প্যাকেজটি পুনরায়
অটোম্যাটিকালি চালু হয়ে যাবে।
আপনি যদি অটো রিনিউ না করতে চান
তাহলে OFF টাইপ করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন
5000 নম্বরে। প্রিপেইড গ্রাহকরা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আবারো P6 একটিভেট
করতে পারেন। অব্যবহৃত অবশিষ্ট ডাটা নতুন
P6 এর ডাটার সাথে যোগ হয়ে যাবে। ল্যাপটপ ও ডেক্সটপ কম্পিউটার ব্রাউজিং P2 প্যাকেজ যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে আনলিমিটেড (৫ গিগাবাইট)
ইন্টারনেট ব্যবহার ৮৫০ টাকা + ভ্যাট
খরচে। গ্রাহক ৫ গিগাবাইট
ডাটা ব্যবহারের পর ফেয়ার ইউসেজ পলিসি প্রযোজ্য হবে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে P2 টাইপ করে পাঠিয়ে দিন 5000 নম্বরে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। অটোরিনিউ অপশনঃ আছে। P3 প্যাকেজ যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে প্রতিদিন রাত ১২ টা সকাল ১০
টা পর্যন্ত মাসিক আনলিমিটেড (৫
গিগাবাইট) ইন্টারনেট ব্যবহার ২৫০
টাকা + ভ্যাট খরচে। ৫ গিগাবাইট
ডাটা ব্যবহারের পর ফেয়ার ইউসেজ পলিসি প্রযোজ্য হবে। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে P3 টাইপ করে 5000 নম্বরে পাঠিয়ে দিন। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। অটো রিনিউ অপশনঃ আছে। P4 প্যাকেজঃ যে সিমে প্রযোজ্যঃ শুধুমাত্র প্রিপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ১৫০ মেগাবাইট ইন্তারনেট ডাটা ব্যবহারের চার্জ ৬০
টাকা + ভ্যাট। P4 প্যাকেজ দিনের
যে সময়ই একটিভেট করা হোক না কেন এর
মেয়াদ থাকবে সংশ্লিষ্ট দিনের রাত
১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ মেসেজে P4 লিখে পাঠিয়ে দিন 5000 নম্বরে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ ১৫০ মেগাবাইট এর ৫০% ও ৮০% পার
হয়ে গেলে অটোম্যাটিক মেসেজের
মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে। অটো রিনিউ অপশনঃ নেই। P5 প্যাকেজ যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড ও পোস্টপেইড। মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিনের মেয়াদে ৩ গিগাবাইট ইন্টারনেট ডাটা ব্যবহারের
খরচ ৭০০ টাকা + ভ্যাট। যেভাবে একটিভেট করবেনঃ P5 টাইপ করে মেসেজ পাঠিয়ে দিন 5000 নম্বরে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ *500*60# ডায়াল করে। অটো রিনিউ অপশনঃ আছে।
Read More...

Friday, July 27, 2012

রবির সবগুলো ইন্টারনেটপ্যাকেজের বিস্তারিত

Leave a Comment
একটি গ্রাহককেন্দ্রিক অপারেটর
হিসেবে রবি তার বিভিন্ন শ্রেণীর
গ্রাহকদের জন্য অব্যাহতভাবে বিভিন্ন
ধরনের ইন্টারনেট প্যাকেজ নিয়ে এসেছে।
এসব অফার দেয়া হচ্ছে গ্রাহকদের
চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে। রবি সবসময়ই তার সম্মানিত গ্রাহকদের
জন্য পুরাতন অফারে পরিবর্তন আনছে ও নতুন
নতুন অফার দিচ্ছে। আসুন তাহলে রবির সবগুলো ইন্টারনেট
প্যাকেজ সম্পর্কে আলোচনা করা যাক।=== দৈনিক === ২০০ মেগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৫৫ টাকা + ভ্যাট
খরচে ২০০ মেগাবাইট ইন্টারনেট। এ
প্যাকেজটি আপনি দিনের যে সময়ই চালু
করুন না কেন এর মেয়াদ থাকবে সংশ্লিষ্ট
দিনের রাত ১১.৫৯ মিনিট পর্যন্ত। যেভাবে চালু করবেনঃ ডায়াল করুন
*8444*81#।
যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। === মাসিক === ১ গিগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে ১
গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ২৭৫
টাকা + ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ *8444*85#
ডায়াল করে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। ৩ গিগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে ৩
গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ৪৫০
টাকা + ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ *8444*84#
ডায়াল করে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। ৫ গিগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন মেয়াদে ৫
গিগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ৬৫০
টাকা + ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ *8444*83#
ডায়াল করে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাক (২৪ ঘণ্টা) যে সিমে প্রযোজ্যঃ পোস্টপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন
মেয়াদে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার
৭৫০ টাকা + ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ সংশ্লিষ্ট
পোস্টপেইড সিম থেকে A লিখে 8555 নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এরপর
কনফার্মেশন মেসেজ পেলে নিশ্চিত করার
জন্য Y লিখে রিপ্লাই দিতে হবে।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংযোগটি চালু
হয়ে যাবে।
যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাক
(রাত্রিকালীন) যে সিমে প্রযোজ্যঃ পোস্টপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩০ দিন
মেয়াদে প্রতিদিন রাত ১২ টা থেকে সকাল
৮ টা পর্যন্ত আনলিমিটেড ইন্টারনেট
ব্যবহার ২৭৫ টাকা + ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ সংশ্লিষ্ট পোস্টপেইড সিম থেকে A2 লিখে 8555
নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। এরপর
কনফার্মেশন মেসেজ পেলে নিশ্চিত করার
জন্য Y লিখে রিপ্লাই দিতে হবে।
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংযোগটি চালু
হয়ে যাবে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। === সাপ্তাহিক === ২০ মেগাবাইট ইন্টারনেট প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৭ দিন মেয়াদে ২০
মেগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ২০ টাকা +
ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ *8444*20#
ডায়াল করে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। === এছাড়াও আছে === ৩ দিনের ইন্টারনেট বান্ডল প্যাক যে সিমে প্রযোজ্যঃ প্রিপেইড।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ ৩ দিন মেয়াদে ৩০
মেগাবাইট ইন্টারনেট ব্যবহার ৩০ টাকা +
ভ্যাট খরচে।
যেভাবে চালু করবেনঃ *8444*33#
ডায়াল করে। যেভাবে ব্যবহারের পরিমান
জানবেনঃ *222*81# ডায়াল করে। যতটুকু ব্যবহার ততটুকু খরচ যে সিমে প্রযোজ্যঃ সকল রবি সংযোগে।
মূল্য ও বিস্তারিতঃ প্রতি কিলোবাইট ২
পয়সা রেটে সকাল ৯.০১ মিনিট থেকে রাত
১২.৫৯ মিনিট পর্যন্ত ও প্রতি কিলোবাইট ১
পয়সা রেটে রাত ১ টা থেকে সকাল ৯
টা পর্যন্ত আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার।
যেভাবে চালু করবেনঃ যেকোনো রবি গ্রাহক
তার হ্যান্ডসেটটিতে রবি ইন্টারনেট
সেটিংস কনফিগার করে ব্যবহার শুরু
করতে পারেন।
যেভাবে ব্যবহারের পরিমান জানবেনঃ প্রযোজ্য নয়। [বিঃ দ্রঃ সবগুলো তথ্য রবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত। আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ http:// www.robi.com.bd/]
Read More...

Thursday, July 26, 2012

রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে

1 comment
প্রত্যেক মানুষই জীবনের
কোনো না কোনো সময় অন্যের ওপর
রাগ করেছেন অথবা অন্যের রাগের
শিকার হয়েছেন। রাগ কিন্তু রোগ নয়।
নয় কোনো মানসিক সমস্যা।
বরং প্রকৃত সুস্থ মানুষের সম্পর্ণ স্বাভাবিক একটি আবেগ বা ইমোশন।
সুস্থ মনের অত্যন্ত স্বাভাবিক
উপাদান এ রাগ। কোনো প্রণোদনার
কারণে সামান্য বিরক্তি থেকে শুরু
করে প্রবল উত্তেজনা,
ক্রোধোন্মত্ততা পর্যন্ত এ আবেগের বিস্তৃতি হতে পারে। যদি রাগ নামে এ
আবেগটিকে আমরা নিয়ন্ত্রণ
করতে না পারি, যদি এ
আবেগটি অতি উচ্ছ্বসিত
আকারে প্রকাশ পায় তখন দেখা দেয়
নানা সমস্যা। সমস্যা হতে পারে মনোদৈহিক,
সমস্যা হতে পারে পারিপাশর্্িবক
সম্পর্কগুলোর (পরিবার, বন্ধু,
কর্মক্ষেত্রে) মধ্যে,
হতে পারে সামাজিক সমস্যা,
এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আইনি জটিলতায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মানুষের অন্যান্য আবেগের
মতো রাগের ফলে বেশ কিছু
শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন দেখা যায়,
হৃৎপিণ্ডের গতি ও রক্তচাপ বেড়ে যায়,
এড্রিনালিন এবং নরএড্রিনালিন হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এর
সঙ্গে সমনি¦ত হয় মস্তিষ্কের আবেগ
নিয়ন্ত্রণের কিছু কেন্দ্র (লিম্বিক
সিস্টেম, অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেম)।
দেহের বাইরের কোনো প্রণোদনা যেমন-
কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর প্রতিনিয়ত ফাঁকি দেওয়া, রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম
বা পরিবারের কোনো সদস্যের
অনাকাক্সিক্ষত আচরণ এবং দেহের
ভেতরের কোনো প্রণোদনা যেমন-
ব্যক্তিগত
কোনো সমস্যা নিয়ে দুশ্চিন্তা বা অতীতের কোনো অপ্রাপ্তির
বেদনা থেকেও রাগের প্রকাশ
হতে পারে। অবদমিত রাগ
থেকে হতে পারে নানাবিধ মানসিক ও
শারীরিক সমস্যাথ
হতে পারে বিষণœতা, উচ্চ রক্তচাপ, খিটখিটে মেজাজ, বিশ্বনিন্দুক
চরিত্রের মালিক। কিছু পদ্ধতির
মাধ্যমে রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়,
নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনে যার
চর্চা করলে আমরা রাগকে আয়ত্তে
আনতে পারব- ষ রাগের লাগাম হিসেবে যুক্তির বিকল্প
নেই, কারও ওপর বা কোনো ঘটনার
ওপর রাগ করলে ভেবে দেখুন
ঘটনাটি কেন ঘটেছে, আপনার রাগ
করার যথার্থ কারণ থাকলেও
নানামুখী যুক্তির প্রয়োগে আপনি সেই কারণটিকে একপাশে সরিয়ে রাখতে
পারেন।
ষ রাগের কোনো বিষয়কে কেবল নিজের
দিক থেকে না দেখে অপর পক্ষের দিক
থেকেও দেখার চেষ্টা করুন।
ষ বেশি রাগের ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনে ঘটনাস্থল
থেকে কিছু সময়ের জন্য দূরে চলে যান।
ষ রাগের কারণ
ঘটলে নিজেকে যতটা সম্ভব রিলাক্স
করে ফেলুন, বড় করে শ্বাস নিন,
কোনো গঠনমূলক ছোট বাক্য (যেমন ‘ঠিক আছে’ ‘শান্ত হও’) বারবার
উচ্চারণ করতে পারেন।
ভালো কোনো সুন্দর দৃশ্য, আপনার
প্রিয়জনের
মুখচ্ছবি মনে করতে পারেন।
এছাড়া নিয়মিত হালকা যোগ ব্যায়াম করতে পারেন।
ষ আলাপচারিতার সময় ‘কখনোই না’,
‘সবসময়ই’থ এ জাতীয় শব্দ পরিহার
করতে পারেন। নেতিবাচকতার
বদলে ইতিবাচকভাবে মনের ভাব
প্রকাশ করুন। ষ প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততার
মধ্যে কিছু না কিছু সময় নিজেকে দিন।
নিজেকে নিয়ে প্রতিদিন অন্তত ১০
মিনিট ভাবুন।
? প্রয়োজনে রাগ নিয়ন্ত্রণ কৌশল
আয়ত্ত করার জন্য মনোচিকিৎসক/ মনোবিজ্ঞানী/কাউন্সিলরের সাহায্য
নিতে পারেন।
Read More...

Tuesday, July 24, 2012

ইফতারে খাদ্যাভ্যাস

1 comment
ঐতিহ্যগতভাবেই
আমরা ইফতারে ভাজাভুনা ও তেল
জাতীয় খাবার বেশি খেয়ে থাকি। শুধু
তাই নয়, ইফতারে পেট ভরে খাওয়ার
নিয়মও যেন চালু হয়ে গেছে। কিন্তু এ
সময় খাবার হতে হবে সুষম ও আদর্শ। ইফতারে ভাজাপোড়া খাবার
এ সময় ভাজাপোড়া খাবারের আধিক্য
দেখা যায়। দীর্ঘক্ষণ রোজা রাখার পর
ঝাল বা ভাজাভুনা খেতে স্বাদ লাগে।
কিন্তু লক্ষ্য রাখতে হবে, এ
খাবারগুলো যেন দোকানের বাসি-পচা ও ভেজালযুক্ত না হয়। এই খাবার উচ্চ
ক্যালরিসমৃদ্ধ বা ইমপ্রুভড ডায়েট,
যা রোজাদারদের শক্তি জোগান দেয়।
পক্ষান্তরে রোজা রাখার ফলে আমাদের
শরীরে মাংসপেশির ক্ষয়
থেকে রক্ষা করে। এজাতীয় খাবার। কিন্তু এ খাবারের খারাপ দিকটিই বেশি।
কারো এসিডিটি বা পেপটিক আলসার
ডিজিজ থাকলে এ খাবার
হজমে অসুবিধা হয়। ওজন বাড়ায় ডাল-
বিচি গ্রুপের এ জাতীয় খাবার।
ইফতারে সুষম খাবার পাঁচ গ্রুপের খাদ্য থেকে এ সময় খাবার
বেছে নিতে হয়। খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ
বয়স ও ব্যক্তিভেদে বিভিন্ন হয়।
বিভিন্ন ফল দিয়ে তৈরি ড্রেজারট,
মিল্কসেক, ফলের রস, মিষ্টি জাতীয়
খাবার যেমন- সুজি, সেমাই খাওয়া এসময় আদর্শ। সারাদিন
রোজা রেখে শরবত পানিশূন্যতা দূর
করে। ইসবগুল ও তোকমার শরবত বেশ
ঠাণ্ডা। কাগজিলেবুর শরবত যে কেউ
খেতে পারেন।
Read More...

Monday, July 23, 2012

জিমে না গিয়ে ওজন কমান

Leave a Comment
মেদবিহীন ছিপছিপে সুন্দর স্বাস্থ্য সবার
প্রিয়। আর সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুগড়ন ও
কার্যক্ষম শরীর। এই প্রত্যাশা পূরণ সহজ কাজ
নয়। রসনার সংযম এবং নিয়মিত শরীর চর্চায়
ব্রত শক্ত মনের মানুষই স্বাভাবিক ওজন ও
সুস্থ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকেন। এজন্য অহেতুক জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য খুব
বেশি প্রচেষ্টা বা জোগাড় যন্ত্রের প্রয়োজন
পড়ে না। কতিপয় বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
প্রথমত: মিষ্টি ও ভাজাভূনা খাবেন না। ভাত
খাবেন নামমাত্র। দ্বিতীয়ত: প্রতিদিন
জীবনযাপনে যাই ঘটুক নিজে নিজে একটু ব্যায়াম করে নেবেন। সেটা হাটা, সাঁতার
বা ফ্রি হ্যান্ড যাই আপনার পছন্দ। এ
দু’টি হলো জিমে না গিয়ে ওজন কমানোর
প্রাথমিক ও অন্যতম শর্ত।জিমে না গিয়ে ওজন কমান মেদবিহীন ছিপছিপে সুন্দর স্বাস্থ্য সবার প্রিয়। আর সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুগড়ন ও কার্যক্ষম শরীর। এই প্রত্যাশা পূরণ সহজ কাজ নয়। রসনার সংযম এবং নিয়মিত শরীর চর্চায় ব্রত শক্ত মনের মানুষই স্বাভাবিক ওজন ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকেন। এজন্য অহেতুক জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা বা জোগাড় যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ে না। কতিপয় বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। প্রথমত: মিষ্টি ও ভাজাভূনা খাবেন না। ভাত খাবেন নামমাত্র। দ্বিতীয়ত: প্রতিদিন জীবনযাপনে যাই ঘটুক নিজে নিজে একটু ব্যায়াম করে নেবেন। সেটা হাটা, সাঁতার বা ফ্রি হ্যান্ড যাই আপনার পছন্দ। এ দু’টি হলো জিমে না গিয়ে ওজন কমানোর প্রাথমিক ও অন্যতম শর্ত।
মোটা হওয়ার কারণ:
·ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ অতিরিক্ত খাওয়া।
নিয়ম অনুযায়ী খাবেন
· শরীরে খাবারের প্রয়োজন নেই, অথচ ভালো খাবার দেখলে খেতে ইচ্ছে করে বলে অনেকে সারাদিন
খান। এতে শরীরে মেদ জমে
· সারাদিন শারীরিক পরিশ্রমের অভাবে ওজন বাড়ে
· বংশগত কারণে মোটা হওয়ার প্রবণতা থাকে। খাবার যখন কম থাকে, জিন শরীরে ফ্যাটের স্টোরেজ বাড়িয়ে দেয়। এরপর খাবার বেশি খেলে এবং শক্তি ক্ষয় কম হলে ওজন বেড়ে যায়
স্বাভাবিক উপায়ে ওজন কমানো:
ওজন কমানোর সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপায় হলো-এমন ডায়েট মেন চলুন যাতে বেশি পরিমাণে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার আছে, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন আছে এবং কম পরিমাণে ফ্যাট আছে। যারা অফিসে যান তারা ব্রেকফাস্টটা খেয়ে দুপুরের খাবার অফিসে যাওয়ার সময় লাঞ্চ হিসেবে নিয়ে যান।
ডায়েট টিপস:
· আলু, কুমড়ো, কাঁচা কলা খাবেন না
· ছাঁকা তেলে ভাজা কিছু খাবেন না; তা সে বেগুন হোক বা পটল ভাজা হোক
· অ্যালকোহল, এনার্জি ড্রিংকস, হেলথ ড্রিংকস, সফট ড্রিংকস খাবেন না
· চিনি একেবারেই খাবেন না, প্রয়োজনে সুইটনার চলতে পারে
· গরু, খাসির মাংস ও চিংড়ি মাছ মোটেই খাবেন না
· আপনার পছন্দ-অপছন্দের খাবার, বর্তমান খাদ্যাভ্যাস ও বাজেটের ওপর ভিত্তি করে ডায়েট চার্ট তৈরি করুন
· কোন ধরনের কাজের সঙ্গে আপনি যুক্ত তার ওপর নির্ভর করবে আপনার পারফেক্ট ডায়েট
· আপনার ডায়েটে যাতে ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন
· প্রতিদিনের ডায়েটে হোলমিল এবং বিভিন্ন ধরনের দানাশস্য রাখুন, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট, যেমন-হোলহুইট ব্রেড, রাইস, ওটস মিল, হোল মিল পাস্তা, বার্লি, ব্রাউন রাইস খান প্রয়োজন মতো
· ওবেসিটি কমিয়ে সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ফল ও শাক সবজি খান
অসময়ে খিদে পেলে করণীয়:
অসময়ে খিদে পেলে হেলদি স্ন্যাক্স খান। লাঞ্চ এবং ডিনারের মাঝে ৩/৪ ঘন্টা পর পর হেলদি স্ন্যাক্স খেতে পারেন। খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি বা টোস্ট বিস্কুট খান। ফলও খেতে পারেন। লাউ বা অন্য সবজির রস বা সিদ্ধ শাক সবজি খেতে পারেন। বেশি রাতে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার কম খাবেন।
বাড়িতে ব্যায়াম পদ্ধতি:
· বাড়িতে কিছু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। এতে সময় একেবারেই কম লাগে। অথচ আপনি ফিট থাকতে পারবেন এবং অতিরিক্ত মেদ শরীরে জমা হবে না
· বাড়িতে যতো সময় অবস্থান করবেন সেই সময়ে শুয়ে বা বসে না থেকে হাঁটা চলাও যে ব্যায়াম তা অনেকে ভাবেন না। আপনার বাড়িতে যদি সিড়ি থাকে তাহলে কারণে অকারণে দৈনিক
কয়েকবার ওঠানামা করতে পারেন। আরো ভালো হয় যদি হালকা জিনিসপত্র বহন করা যায়। এত আপনার মাসল টোনড হবে
· বিভিন্ন ধরনের স্ট্রেচিং ব্যায়াম, যেমন- আর্ম স্ট্রেচিং বা লেগ লিফটিং করতে পারেন। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং বিভিন্ন অংশের ফ্যাট ঝরে যায়
· হার্ট সুস্থ রাখার জন্য জগিং খুব ভালো ব্যায়াম। বাড়ির যে কোনো জায়গায় আপনি স্পট জগিং করতে পারেন। তবে এ সময় উপযুক্ত জুতো পরবেন, যাতে পায়ের ওপর স্ট্রেস না পড়ে
· দু’হাত সোজা করে উপরের দিকে রাখুন। পায়ের পাতার উপর ভর দিয়ে যতোটা পারেন লাফান। কোনো বিরতিছাড়া এভাবে এক মিনিট লাফাবেন। এক মিনিট ব্রেক দিয়ে দিয়ে দুই থেকে তিনবার সাইকলটা রিপিট করুন।
· পুশ-আপ্স করতে পারেন। এই ব্যায়াম আবার চেস্ট ও আর্ম মাসলের শক্তি বাড়ায়। মাটির ওপর উল্টো হয়ে শুয়ে পড়ুন। তারপর দুই হাতের সাহায্যে মাটি থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। লক্ষ্য রাখবেন যেন আপনার হাটুতে ভাজ না পড়ে। শুরুতে ৫ থেকে ১০ টা পুশ আপ্স দেয়ার চেষ্টা করুন। সকালে এক সেট এবং বিকালে এক সেট পুস-আপ্স করতে পারেন।
· পেটের মাসলের স্ট্রেংথ বাড়ানোর জন্য সিট-আপস জাতীয় ব্যায়াম করতে পারেন। মাটিতে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাটু ভাজ করুন। ডান হাত বা কাঁধের ওপর এবং বা হাত ডান কাঁধের ওপর রাখুন। এরপর আস্তে আস্তে শরীরের ওপরের অংশ মাটি থেকে তোলার চেষ্টা করুন। মাঝামাঝি অবস্থানে যেতে কয়েক সেকেন্ড থাকুন। পরে ক্রমশ শোয়া অবস্থায় ফিরে যান। শুরুতে ৩ থেকে ৫টা সিট আপ্স যথেষ্ট হবে।
বিশেষ সতর্কতা:
· কোমল পানীয় একেবারেই খাবেন না। কোল্ড ড্রিংস মোটা হওয়ার আশঙ্কা ৬০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়
· কখনো স্টার্ভেশন ডায়েট করবেন না। এই পদ্ধতিতে দ্রুত রোগা হওয়া গেলেও শরীর প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে নানা সমস্যা দেখা দেয়
· রাতে পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন
· বার বার অল্প করে খাবেন। লাঞ্চ বা ডিনারের সময় অবশ্যই কম খাবেন। + +মাংস এবং
কোলন ক্যান্সার
যারা সপ্তাহে পাঁচ বেলা গরু, খাসি কিংবা ভেড়ার মাংস খান, এক গবেষণণায় দেখা গেছে, তাদের কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। এসব পশুর মাংসকে বলা হয় রেডমিট। রেডমিটকে চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় অন্যতম ক্যান্সারপ্রবণ খাবার বা কারসিনোজেন। তাই বলে মাংস খাওয়া বাদ দিলেই তো চলবেনা। মাংস খাওয়া যাবে, তবে পরিমিত। সপ্তাহে এক/দুই বেলাই যথেষ্ট। আর যদি বেশি করে শাক সবজি খান তাহলে মাংসের এই ঝুঁকি অনেকেটাই প্রশমিত হয়।
Read More...

Thursday, July 19, 2012

নিয়ে নিন আপনার জন্যএকটি ভিন্ন ধরনের ই-মেইলএড্রেস

Leave a Comment
আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি দারুন
মজার একটা জিনিস।
সেটা হচ্ছে একটি ভিন্ন ধরনের ই-
মেইল সেবা। আমরা সবাই জিমেইল,
ইয়াহু, হটমেইল ইত্যাদি কোম্পানীর
ইমেইল সেবা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু আমরা সবাই
মনে মনে ভাবি যে যদি ভিন্ন ধরনের
ইমেইল ডোমেইন সেবা ব্যবহার
করা যেত তাহলে অন্যের কাছে ঈর্শার
একটা ব্যাপার হতে পারত। ঠিক সেই
জন্যই আমার আজকের এই পোস্ট। তাহলে চলুন চলে যাই এই লিঙ্কে । এবার মনে করুন আপনি একজন আইনজীবি।
তাহলে আপনি আপনার ইমেইল এড্রেস
myname@lawyer.com
এভাবে দিতে চাচ্ছেন। তাহলে এই
সাইটে Sign up now এ ক্লিক করে পরের স্টেপে Personal
Information অংশে প্রয়োজনীয়
ডাটা টাইপ করুন। এবার Check
availability অংশে আপনার ইমেইল এর
প্রথম অংশটি টাইপ করে @ এর পরের
অংশে ক্লিক করে যে কোন একটি ডোমেইন সিলেক্ট করুন। তারপর
Check availability তে ক্লিক
করে দেখুন আপনার ইমেইল
এড্রেসটি এভেইলেভল কিনা। এখন
Define your password
অংশে আপনার পাসওয়ার্ড ও In case you forget your password
অংশে আপনার অন্য ইমেইল ও
সিকিউরিটি কোয়েশ্চেন এবং আন্সার
ঠিক করে দিন। তারপর Verify your
Registration অংশে ক্যাপচাটি টাইপ
করে I accept, create my account এ ক্লিক করলেই আপনার
একাউন্টটি তৈরি হয়ে যাবে।
Read More...

Monday, July 16, 2012

প্রতিদিন ৫০০ কিংবা যত খুশি এসএমএস পেতে পারেন একদম ফ্রী

2 comments
আমরা বর্তমানে
অনেকেই বাংলালিংক
সিম ইউজ করি।
বাংলালিংক
সিমে আনলিমিটেড
এসএমএস আনার সিস্টেমটা
আশা করি সবাই
জানেন, তারপরও
যারা জানেন না তাদের
জন্য বলছি।
*132*1#লিখে ডায়াল করে Reply এ আবার
1 প্রেস করলেই ৫.৭৫
টাকা কাটবে।
এবং আপনি একদিনের
জন্য ৫০০ এস এম এস
পাবেন। এভাবে প্রতিদিন ৫
টাকা দিয়ে এস এম এস
কিনলে পোষায় না।
তাই আমি আজ
আপনাদেরকে এমন
একটি উপায় বলব যার মাধ্যমে আপনি
প্রতিদিন ৫০০
কিংবা যত খুশি এসএমএস পেতে পারেন
একদম ফ্রী। অর্থাৎ
কোন টাকা কাটবে না।
এইবার আসি কাজের কথায়।
যা যা লাগবেঃ
১। একটি বাংলালিংক
সিম।
২। সিমে ব্যালেন্স
থাকতে হবে কমপক্ষে ৫.৭৫ টাকা। তবে ৭
টাকার বেশি হলে হবে না।
অর্থাৎ আপনার
ব্যালেন্স থাকতে হবে
৫.৭৫ থেকে ৭ টাকার
মধ্যে। ৩। নোকিয়ার একটি
Simple মোবাইল। যেমনঃ
১২০২,১২০৮,১২০৯, ১১০০,১২০০,১১১০
ইত্যাদি হলে ভাল হয়।
তবে চায়না ফোনে হবে
না। ৪। অন্য
আরেকটি মোবাইল
(যেকোনো মডেল ও
যেকোনো অপারেটর
হলে চলবে)।
এইবার আসুন কিভাবে কাজটি করতে
হবে তা দেখে নেইঃ
১। প্রথমে আপনার
বাংলালিংক ফোন থেকে
আপনার পাশে থাকা
অন্য একটি মোবাইল নাম্বারে ১ টা কল দেন।
২। কল টা রিসিভ
করবেন না।
৩। কল টা ডুকার
সাথে সাথে চাপুন
*132*1# এবং পরে Reply এ
1 প্রেস করে Ok চাপুন।
৪। Request not
completed দেখাবে ।
৫। এখন কল টা
কেটে দিন অথবা Ring শেষ না হওয়া পর্যন্ত
অপেক্ষা করুন।
৬। এবার *124#
ডায়াল করে আপনার
ব্যালেন্স দেখুন। (দেখবেন অপরিবর্তিত
আছে)। ৭। এখন *124*2#
ডায়াল করে আপনার
ফ্রী এস এম এস এর
ব্যালেন্স দেখে নিন।
এভাবে যত খুশী ততবার এস.এম.এস. কিনুন
একদম ফ্রীতে।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ৩০
সেকেন্ড এর ভেতর
পুরো কাজ শেষ
করতে হবে। এই
এসএমএস আপনি শুধু Banglalink to Banglaink
নাম্বারে পাঠাতে
পারবেন।
Read More...

Wednesday, July 4, 2012

↓আপনার সেম্ভিয়ান(S60)হেন্ডসেট এ ডিফল্ট ভাবে স্পিড বাড়ান↓

3 comments

আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন আপনারা?
অনেক দিন মোবাইল টিপস দেইনা।তাই আজ আপনাদের অসাধারণ একটা টিপস দিবো।
আমরা যারা সেম্ভিয়ান(S60)হেন্ড সেট ব্যাবহার করি..আমাদের মেমোরিতে অতিরিক্ত সপট,থিম,গেম বা ইমেজ বেশি রাখলে হেন্ড সেট একটু ধিরে কাজ করে।তাই আজ আপনাদের শিখাবো কি ভাবে আপনার হেন্ড সেট এর স্পিড বাড়াবেন!

প্রথমে আপনার হেন্ড সেট এর DATE(তারিখ) পরিবর্তন করে 01/05/2005 এ করুন।
এর পর Clender(ক্যালেন্ডার) এ যান।

এবার Options > new entry > to-do এ ক্লিক করুন।

এখন
Subject: Speed
Due date: 04/08/2005
Priority: High
এবার Done বাটনে ক্লিক করুন।

(সতর্কতাঃcalender থেকে কোনো অবস্থায় বের হবেন না।)
এবার আরো একটি to do তৈরি করুন।
যে ভাবে তৈরি করবেনঃ
Subject: Qoukie
Due date: 04/08/2005
Priority: Low
এবার Done বাটনে ক্লিক করুন।

এখন একটি অতি সুক্ষ কাজ করতে সবে।
option > to do view তে ক্লিক করুন।এবার প্রথমে,
speed কে mark as done করুন।তার পর Qoukie কে mark as done করুন।

এবার ক্যালেন্ডার থেকে বের হয়ে যান।

কি আগের থেকে দ্বিগুন স্পিড বৃদ্ধি পেয়েছে?
বিঃদ্রঃআপনার হেন্ড সেট এর তারিখ পরিবর্তন করতে পারবেন।
Read More...