Showing posts with label টেক সংবাদ. Show all posts
Showing posts with label টেক সংবাদ. Show all posts

Thursday, August 30, 2012

ক্ষমার মূল্য মাত্র ৯২ কোটি টাকা

Leave a Comment
বাংলালিংকের গ্রাহক প্রতারণা: মাফ
চেয়ে গ্রাহকের ৯২ কোটি টাকা ফেরত
দেওয়ার দায় এড়াতে চাইছে বাংলাদেশের
দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন কোম্পানী । বাংলালিংকের "নবাবী কলরেট প্যাকেজ"-এর
মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত
নেওয়া ৯২ কোটি ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫২৪
টাকার পুরোটাই ‘অবৈধ’ উল্লেখ করে তা ফেরত
দিতে বাংলালিংককে নির্দেশ
দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসি। একই সঙ্গে এই অপরাধের
জন্যে তাদেরকে আরো ১০ লাখ
টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। আজ
বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত
একটি চিঠি বাংলালিংকে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন
বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জিয়া আহমেদ। তবে বাংলালিংক
চাইছে ‘ভুল’ স্বীকার করে মাফ চেয়ে দায়
এড়াতে। চিঠির বিষয়ে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান
বলেন, এসব বিষয়ে বাংলালিংকের কোন
বক্তব্য থাকলে তারা নিশ্চয়ই
সেটি জানাতে পারে। সেই সুযোগ
চিঠিতে দেওয়া রয়েছে। তবে গ্রাহকের
কাছে থেকে ‘অবৈধ’ উপায়ে নেওয়া টাকা ফেরত দিতেই হবে। এদিকে বাংলালিংকের রেগুলেটরি অ্যান্ড
লিগাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক
জাকিউল ইসলাম মিডিয়াকে জানিয়েছেন,
চিঠি হাতে না পেলেও বিটিআরসি’র চিঠির
বিষয়টি জেনেছেন তারা। তবে ক্ষমা চাইলেই
বিটিআরসি তাদের মাফ করে দেবে বলে জেনেছেন।
সেক্ষেত্রে অনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইবেন
বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। একই
সঙ্গে এমন অপরাধ দ্বিতীয়টি আর
হবে না বলেও বাংলালিংক অঙ্গীকার
করবে বলে জানা গেছে। এর আগে গত বছরের শেষ দিকে বাংলালিংক
"নবাবী কলরেট প্যাকেজ" চালু করে।
সেখানে দিনে চার টাকা দিলে সারা দিন
যে কোনো অপারেটরে ৬৫ মিনিটে কথা বলার
সুযোগ দেওয়া হয়। কয়েক মাসের মধ্যে ওই চার
টাকার হিসেব গিয়ে দাঁড়ায় ৯২ কোটি ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫২৪ টাকা। এখন এই টাকার
পুরোটাই গ্রাহকদের ফেরত
দিতে বলছে বিটিআরসি। সেক্ষেত্রে প্রি-
পেইড গ্রাহকদের আই-টপআপের
মাধ্যমে এবং পোষ্ট-পেইড গ্রাহকদের মাসিক
বিলে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে। এর আগে ৮ আগষ্ট ২০১২, বাংলালিংককে এমন
জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেয় বিটিআরসি।
তবে বিটিআরসি’র সিদ্ধান্তের পর নানা দিক
দিয়ে তা থামিয়ে রাখার চেষ্টা চলানো হয়।
এমনকি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজিউদ্দিন
আহমেদ রাজু নিজেও এই দফায় বাংলালিংককে মাফ করে দেওয়ার
জন্যে বিটিআরসি’র চেয়ারম্যানের
প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এবং টেলিকম
সচিবও তার সমর্থন দিয়েছিলেন। উল্লেখ্য যে, বাংলালিংকের এই গ্রাহক
জালিয়াতির খবরটি দেশের বাইরেও
ছড়িয়ে গেছে। বিশ্বখ্যাত ওয়াল স্ট্রীট
জার্নালের একজন সাংবাদিক এবং আরো কিছু
নিউজ এজেন্সি বিষয়টির উপর বর্তমানে কাজ
করছেন বলে জানা গেছে।
Read More...

টাইমলাইনসার্ভিসটি চুরি করেছে ফেসবুক!

Leave a Comment
ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি প্রত্যেক ইউজারের
প্রোফাইলে টাইমলাইন বাধ্যতামূলক করেছে ।
এইটাই মলাইনের
মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের জন্ম
থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনা, অর্জন
ইত্যাদি সাজিয়ে রাখতে পারবেন। তবে এবার এই আলোচিত-সমালোচিত
টাইমলাইন নিয়ে মামলায় পড়লো ফেসবুক ।
অভিযোগ উঠেছে, টাইমলাইন প্রোফাইলের
পদ্ধতিটির পুরোটাই “চুরি” করেছে ফেসবুক।
চীনের চার বছর পুরনো ওয়েব
কোম্পানি কিউবিক নেটওয়ার্ক দাবি করেছে, ২০০৮ সালে তারা তাদের সাইটে ঠিক
টাইমলাইনের মতোই একটি বৈশিষ্ট্যচালু
করে যেখানে ব্যবহারকারীর বিভিন্ন
কার্যক্রম
বা অ্যাক্টিভিটি সময়ানুক্রমিকভাবে দেখানো হয়
। কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা জিওন ওয়ানলি স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এই
টাইমলাইন বৈশিষ্ট্য নিয়ে কথা বলেন । এই
বিশ্ববিদ্যালয়েই ফেসবুকের
প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ
পড়াশোনা করতে বলে বিশ্বাস করা হয়
বলে লিখেছে দি টেলিগ্রাফ । কিউবিক নেটওয়ার্ক ২০০৮ সালে টাইমলাইনের মতোই
একটি ডিজাইন দেখানোর পর ২০১১
সালে ফেসবুকের বার্ষিক ডেভেলপারদের
সম্মেলন এফ৮-এ টাইমলাইনের
ঘোষণা দেয়া হয় । এ সময় ফেসবুকের
প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ বলেন, অনেক মানুষ প্রতিদিন
তাদেরজীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো ফেসবুকে শেয়ার
করে থাকেন যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের
প্রোফাইল পাতা থেকে আড়ালে চলে যায়।
সারা বছর কাজ করে ফেসবুক এই নতুন
টাইমলাইন চালু করেছে যাকে তারা বলছে নিজের জীবনের
গল্প বলার একটি সম্পূর্ণ নতুন পদ্ধতি ।
তবে এই “সম্পূর্ণ নতুন”
কথাটি নিয়ে আপত্তি আছে চীনা প্রতিষ্ঠান
কিউবিক নেটওয়ার্কের । তারা সম্ভাব্য
পেটেন্ট ভঙ্গের অভিযোগ দায়ের করেছে ফেসবুকের বিরুদ্ধে। সাধারণত
ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটে পরিবর্তন খুব
একটা সহজভাবে মানিয়ে নিতে পারেন না।
টাইমলাইন ডিজাইনটি চালু হওয়ার পর প্রচুর
সংখ্যক ব্যবহারকারী এর
সমালোচনা করেছেন এবং আজও অনেকে টাইমলাইন থেকে পুরনো প্রোফাইল
পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়ার উপায় খুঁজছেন।
কিন্তু এই বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর
পছন্দ-অপছন্দকে পাত্তা না দিয়ে ফেসবুক
বেরসিকের মতো বাধ্যতামূলক
করেছে টাইমলাইন প্রোফাইল।
Read More...

Monday, August 13, 2012

পৃথিবীর বিস্ময়কর স্থানঃআতাকামা মরুভূমি

Leave a Comment
পৃথিবীর বিস্ময় আতাকামা মরুভূমিতে গত ৪০০
বছরের ইতিহাসে যেখানে এক ফোঁটাবৃষ্টিও
ঝরেনি ।
কল্পনা করুন তো এমন একটি জায়গার
কথা যেখানে গত ৪০০ বছরের
ইতিহাসে কখনো এক ফোঁটা বৃষ্টি ঝরেনি। আমাদের কল্পনা প্রবণ মনও হয়ত
এটি মানতে চাইবেনা,হয়ত বলবে এটি স্রেফ
অসম্ভব।কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের এমন
একটি জায়গার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়
যেখানে বৃষ্টি হয়নি মানব ইতিহাসের
একটা বিশাল সময় ধরে। হ্যা আতাকামা মরুভুমি- পৃথিবীর বুকে এক গভীর
বিস্ময়।
পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম স্থান এই
আতাকামা মরুভূমি।বিজ্ঞানীরা এই মরুভুমির
প্রকৃত সংজ্ঞা দেওয়ার জন্য একে বলে থাকেন
absolute desert ।ক্লাইমেটলজিস্ট দের মতে এখানে প্রায়১৫৭০ সাল থেকে ১৯৭১ সাল
পর্যন্ত কোন বৃষ্টিই হয়নি।তাদের
মতেএখানে প্রতিএকশ বছরে গড়ে ৩
থেকে ৪বার বৃষ্টি হয়।অবশ্য গত তিন
চারশো বছরে এই নিয়মের ব্যাতিক্রম
দেখা যায়। চিলির একটি বিশাল এলাকা জুড়ে রয়েছে এই
মরুভূমির বিস্তার।এর
একদিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসগরের
অথৈ জলরাশিঅন্যদিকে আন্দিজ পর্বতমালা।
আতাকা মা মুরুভুমিটি প্রায় ১০০০ কিলোমিটার
দীর্ঘ।এত বিশাল একটি জায়গায় যেখানেহাজার রকমের প্রাণী আর উদ্ভিদ
বৈচিত্র্য থাকার কথা ছিল যুগের পর
যুগবৃষ্টিহীনতার কারনে এখানকার
পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।মাইলের পর মাইল
হেঁটে গেলেও দেখা পাবেন না কোন উদ্ভিদ
বা প্রাণীর। আরও একটি অবাক করা বিষয় হল
এতটা অনাবৃষ্টি আর পৃথিবীর শুষ্কতম স্থান
হওয়ার পর এই জায়গাটির তাপমাত্রা কম ই
বলা চলে।গ্রীষ্মকালে ও এখানকার গড়
তাপমাত্রা ১৮-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
এরমধ্যে থাকে।সত্যিই অদ্ভুত!এত প্রতিকুলতা সত্তেও এই মরুভুমির আশেপাশের
এলাকায় প্রায় দশ লক্ষ মানুষ বাস করে।
নাসার মতে আতাকামার মাটির
সাথে নাকি মঙ্গলগ্রহের মাটির অনেক মিল
আছে।আর এই জন্যই মুভি সিনেমাতে মঙ্গল
গ্রহের দৃশ্যগুলোর শুটিং কিন্তু এখানেই হয়।
Read More...

Thursday, August 9, 2012

দুনিয়া কাপানো ছবি"War Underfoot"

Leave a Comment
"War Underfoot" শিরোনামের এই
ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটা ছেলে অসংখ্য
বুলেটের উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।
ছবিটি ২০০৩ সালে লাইবেরিয়ার গৃহযুদ্ধের
সময় রাজধানি মনরোভিয়া থেকে তুলেছেন লস
এঞ্জেলস টাইমসের ফটো সাংবাদিক ক্যারোলিন কোল। এই ছবির জন্য তিনি ২০০৪
সালে ফটোগ্রাফির নোবেল খ্যাত Pulitzer
পুরষ্কার লাভ করেন। উল্লেখ্য, লাইবেরিয়াতে ২ বার গৃহযুদ্ধ হয়।
প্রথমবার হয় ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত।
'৯৬ সালের সাধারন নির্বাচনের মাধ্যমে এ
গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে। ক্ষমতায় আসেন
"চার্লস টেইলর"। দ্বিতীয়বার গৃহযুদ্ধ
বাধে ১৯৯৯ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত। এসময় প্রতিবেশী গিনির সহযোগিতায় লাইবেরিয়ার
উত্তরাংশে গড়ে উঠে বিদ্রোহী গ্রুপ
Liberians United for Reconcilliation and
Democracy (LURD) । ২০০৩
সালে লাইবেরিয়ার
দক্ষিনাংশে গড়ে উঠে আরেকটা বিদ্রোহী গ্রুপ Movement for Democracy in liberia । এই
সময় ক্ষমতাসীন চার্লস টেইলর সরকার
লাইবেরিয়ার মাত্র এক তৃতীয়াংশ শাসন
করতে পারতেন, বাকিটা ছিল বিদ্রোহিদের
দখলে। নিজ দেশে গৃহযুদ্ধ চলা সত্বেও টেইলর
প্রতিবেশী দেশ সিয়েরা লিওনের বিদ্রোহী গোষ্ঠি গুলোকে মদদ দিতেন অস্ত্র ও
জ্বালানি দিয়ে। পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ
নিলে জাতিসংঘ ২০০৩
সালে সেখানে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠায়।
বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীও
সেখানে শান্তি স্থাপনে কাজ করে চলছে ।
Read More...

Monday, August 6, 2012

খাঁটি মধু কিভাবে চিনবেন

Leave a Comment
মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয়
পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার
বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ
করে মৌচাকে জমা করে রাখে।
পরবর্তীতে জমাকৃত পুস্পরস প্রাকৃতিক
নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রুপান্তর করে এবং কোষবদ্ধ
অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষন করে।

মধু একটি উচ্চ ওষধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ তরল
পদার্থ এবং সুপেয়।সুন্দরবনের বেশিরভাগ
মধু কেওড়া গাছের ফুল থেকে উৎপন্ন হয়।
সুন্দরবনের মাওয়ালি সম্প্রদায়ের
লোকেরা মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ
করে এবং তা বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করে। চলুন তাহলে দেখে নিই খাঁটি মধু চেনার উপায়গুলোঃ খাঁটি মধুতে কোন কটু গন্ধ
থাকবে না। মানুষের জন্য বিষাক্ত
উপাদান প্রাকৃতিক
গাছে থাকলেও এর প্রভাব
মধুতে পড়ে না। মধু প্রিজারভেটিভ
গুণসম্পন্ন ও
পুষ্টিতে ভরপুর
একটি প্রাকৃতিক খাদ্য।
তাই মধুতে কোন
প্রিজারভেটিভ ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়না। মধু উৎপাদন,
প্রক্রিয়াজাতকরন,
নিস্কাশন, সংরক্ষন ও
বোতলজাতকরনের সময় অন্য
কোন পদার্থের সংমিশ্রণ
প্রয়োজন হয় না। এছাড়া খাঁটি মধু চেনার কিছু পদ্ধতি আছে। এদের মধ্যে মুল কয়েকটি পদ্ধতি আলোচনা করা হলঃ মধুর দ্রাব্যতা পরীক্ষাঃ এ পদ্ধতিতে এক গ্লাস
পানিতে এক টেবিল চামচ
মধু নিতে হয়। তারপর
ধীরে ধীরে গ্লাসটি
ঝাঁকাতে হয়। ভেজাল মধু
পুরোপুরি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। আর মধু
যদি খাঁটি হয়
তাহলে পানিতে পুরোপুরি
দ্রবীভূত না হয়ে ছোট ছোট
পিণ্ডের আকারে অবস্থান
করে।

মধুর শিখা পরীক্ষাঃ একটি কটন উয়িক নিয়ে এর
এক প্রান্তকে মধুর
মধ্যে ডুবাতে হয়। তারপর
উঠিয়ে হালকা শেক
দিতে হবে। এবার
এটিকে একটি জ্বলন্ত মোমবাতির শিখার
মধ্যে ধরলে যদি এটি
জ্বলতে থাকে তাহলে বুঝতে
হবে খাঁটি মধু। আর
যদি না জ্বলে তাহলে
বুঝতে হবে মধুতে পানি মেশানো আছে। যদি এমন
হয় যে, কটন উয়িকটি কিছু
ক্র্যাকলিং সাউন্ডসহ
জ্বলছে তাহলে বুঝতে হবে
মধুতে পানি মেশানোর
পরিমান অল্প। মধুর শোষণ পরীক্ষাঃ এ পদ্ধতিতে কয়েক ফোঁটা মধু
একটি ব্লটিং পেপারে
নিয়ে পর্যবেক্ষণ
করতে হয়। মধু
যদি ব্লটিং পেপারে
শোষিত হয়ে যায় তাহলে ভেজাল আর
যদি শোষিত না হয়
তাহলে আসল। এছাড়াও পিঁপড়া যদি মধু কর্তৃক আকর্ষিত হয়
তাহলে তা ভেজাল; আর আকর্ষিত
না হলে তা আসল বলা যাবে। আবার
মধুকে ফ্রিজের
মধ্যে রেখে দিলে যদি না জমে তাহলে তা
আসল; আর যদি জমাট তলানি হিসেবে অবস্থান
করে তাহলে তা ভেজাল মধু
হিসেবে প্রাথমিকভাবে ধরে নেয়া যেতে
পারে।
Read More...

Sunday, August 5, 2012

পৃথিবীর সকলা না জানা তথ্য ও কিছুঅবিশ্বাস্য ও মজাদার সব ঘটনা

Leave a Comment
মৃত্যু সম্পর্কে কিছু রহস্যময় তথ্যঃ ► একজন মানুষ যখন মারা যায় তখন
শ্রবণেন্দ্রিয় সবশেষে নিষ্ক্রিয় হয়।
সর্বপ্রথম নিষ্ক্রিয় হয় দৃষ্টিশক্তি। এর পর
নিষ্ক্রিয় হয় যথাক্রমে স্বাদ, গন্ধ ও
স্পর্শেন্দ্রিয়।
► একটি মৃতদেহ মাটির তুলনায় পানিতে চার গুন বেশি তাড়াতাড়ি পচে।
► মৃত্যু কার্যকর করার ইলেকট্রিক চেয়ারের
আবিষ্কারক একজন দন্তচিকিৎসক।
► যুক্তরাষ্ট্রে বিষপান হচ্ছে ৪র্থ বৃহত্তম
কারণ, যাতে শিশুরা বেশি মারা যায়।
► একজন মানুষের শিরচ্ছেদ হওয়ার ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ড পর্যন্ত মস্তিষ্কের
চেতনা থাকে। ► পিঁপড়ারা ট্যালকম পাউডার পছন্দ
করে না!!! জীবনে কখনো দেখেছেন পাউডারের
পাত্রে বা পাউডারের কৌটায়
পিঁপড়া উঠেছে??? ► হাঙর ৪ কি.মি. দূর থেকেও এক
ফোঁটা (শুধুমাত্র এক ফোঁটা!!!) রক্তের অস্তিত্ব
ঠিক ঠিক শনাক্ত করতে পারে!!! ► অন্যকিছু না দেখেও শুধু... ঘোড়ার দাঁত
দেখে আপনি বলে দিতে পারবেন
ঘোড়াটি মেয়ে না ছেলে!!! বেশিরভাগ পুরুষ
ঘোড়ার দাঁত থাকে ৪০টি এবং মেয়ে ঘোড়ার
৩৬টি!!! ► পানিতে থাকাকালীন সময়ে সাপ আমাদের
কামড় দিতে পারে না!!! কামড়
দিতে হলে অবশ্যই সাপকে মাটি বা কোনও শক্ত
কিছুর উপর আশ্রয় নিয়ে কামড় দিতে হবে!!!
অদ্ভুত!!! ► তিমি মাছের শরীর দেখে কি মনে হয়
যে এই মাছ না খেয়ে থাকতে পারে???
জেনে অবাক হবেন যে, একটা নীল
তিমি একটানা ৬ মাস পর্যন্ত
না খেয়ে কাটিয়ে দিতে পারে!!! ► গরিলা, জিরাফ, এরা কিন্তু সাতার
কাটতে পারে না!!! খুব বেশি বেকায়দায়
না পড়লে গরিলা কখনো পানি পাড়ি দেয় না!!! ► একটি হাতি প্রতিদিন গড়ে ২২ কেজি (৫০
পাউন্ড) করে "ইয়ে" করে!!
ইয়ে মানে ইয়ে আরকি!!! পায়** অথবা হাগু
যাই বলেন!!! ► পৃথিবীতে ১৮ বছরের নিচের বয়সের
ছেলেমেয়েরা মোট অপরাধের প্রায় ৫০%
করে থাকে!!! অর্থাৎ,
পৃথিবীতে যদি প্রতি বছর ১ কোটি অপরাধ
সংঘটিত হয় তবে এর মাঝে অর্ধেক, অর্থাৎ ৫০
লক্ষই করে ১৮ বছর বয়সের নিচের ছেলেমেয়েরা!!! এদের থেকে সাবধান!!! :O ► কানাডার "অটোয়া" তে রাস্তার পাশে থুথু
ফেলা আইনত দণ্ডনীয়!!! ► ইন্ডিয়ানাতে শীতকালে গোছল
করা নিষেধ!!! ► আপনি জানেন কি, টিভি দেখার
চেয়ে ঘুমানোর সময়
আপনি বেশি ক্যালোরি হারান?? আট-নয় হাজার বছর আগে ফিলিস্তিনে বিচিত্র
এক কায়দায় মৃতদের সম্মান দেখানো হতো!!
মৃতের দেহকবর দেওয়া হতো তার
কোনো আত্মীয়ের বাড়ির মেঝের নিচে!!
সেখানে অবশ্য পুরো দেহটা থাকতো না!!
মাথাটাকে পরিষ্কার করে সাজিয়ে রাখা হতো ঘরে!!! ► পৃথিবীতে কিন্তু সবুজ রঙের ডায়মন্ডও
(হিরা) পাওয়া যায়!! কিন্তু তা এতই কম যে,
বেশিরভাগেরই দেখার সৌভাগ্য জোটে না!!! ► বজ্রপাতে কারা বেশি মারা যায় জানেন??
ছেলেরা!!! মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের
বজ্রপাতে মৃত্যুহার ৭ গুন বেশি!!! ► গাজরে কোনও চর্বি নেই!!! (0% fat) ► পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি দেখা হয় কোন
খেলা জানেন?? ফুটবল!!! ► প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষ গড়ে ৬ বার
টয়লেটে যায়!!! (আহেম আহেম) ► আপনি জানেন কি, হাঙর কিভাবে শিকার
ধরে?? হাঙরের কানের ক্ষমতা এতই
অবিশ্বাস্য রকমের বেশি যে, এরা ছোট
থেকে ছোট মাছের হৃৎপিণ্ডর "ধক ধক" শব্দ
শুনতে পায়!! সেই শব্দ অনুসরণ
করে তারা শিকার ধরে!!! ► প্রতি বছর ২০-৩০
টি আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরিত হয়!! তবে এর
বেশির ভাগই সমুদ্রের নিচে হওয়ায় রক্ষা!!! ► একটি বিশেষ হোটেলের সম্পর্কে জানাই
এইবার!!! আমেরিকার ফ্লোরিডায় সমুদ্রের
নিকটবর্তী এলাকায় একটা Underwater
বা "পানির নিচে" হোটেল আছে!!
সেখানে ঢোকার পথ কিরকম জানেন?? ঢোকার
জন্য আপনাকে পানিতে ডাইভ দিতে হবে!! অর্থাৎ ডুব দিয়ে সাতার
কেটে সে হোটেলে ঢুকতে হয়!!! ► পৃথিবীর বেশীরভাগ মানুষের প্রিয় স্নাকস
কি জানেন??? পটেটো চিপস!!! (আপনার
কোনটি???) ► বিশ্বে বেশীরভাগ মানুষের পছন্দের
টুথব্রাশের রঙ কি জানেন?? নীল!!!
(আপনারটার রঙ কি???) ► সারা বিশ্বের মোট ৫৯% মানুষ মনে করেন
তারা দেখতে মোটামুটি!!! বাকি ৪১% ধারণা,
তারা দেখতে সুন্দর/সুন্দরী অথবা অসুন্দর/
অসুন্দরী!!! (আপনি কোন দলে???) ► এবার একটা মজার তথ্য, বিশেষ
করে ভাইয়াদের জন্য!!! আপনি জানেন কি, মোট
৫৩% মেয়েই মেক আপ করা ছাড়া ঘর
থেকে বাইরে বের হন না!!! (যত সূক্ষ্মই হোক,
মেক আপ লাগানই!!!) ► প্রতিদিন পৃথিবীতে গড়ে ২০ টা ব্যাংক
ডাকাতি হয়।। গড় লোটপাটের পরিমাণ ২৫০০
ইউ, এস ডলার!! ► মহিলারা প্রতিদিন গড়ে ৭০০০বাক্য
বলেন, আন্য দিকে পুরুষরা বলে মাত্র ২০০০
বাক্য। ► ডানহাতি লোকজন বাহাতি লোকের
চেয়ে গড়ে ন’বছর বেশি বাঁচে। ► জীবিতকালের মোট একটা বছর মানুষ তার
হারানো জিনিস খুঁজে বেড়ায়। ► প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষ গড়ে ৬ বার
টয়লেটে যায়!
► বিশ্বে বেশীরভাগ মানুষের পছন্দের
টুথব্রাশের রঙ কি জানেন?? নীল!
► ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের চোখের পলক
দ্বিগুনহারে পরে। ► আমেরিকার কলাম্বিয়া প্রদেশে মেয়ের
বাসর রাতে তার মার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
► প্রতি বছর নীল নদের তীরে প্রায় ১০০০
মানুষ মারা যায় শুধু কুমিরের শিকার হয়ে!!
► “লোয়া” নামক স্থানে একটানা ৫ মিনিটের
বেশি “কিস (চুমা)” করলে আপনি অপরাধী!! তখন পুলিশ বা আইনরক্ষায় নিয়োজিত যে কেউ
আপনাকে শাস্তি দিতে পারে!!
► মিয়ামিতে (ফ্লোরিডা) যেকোনো পশুর ডাক
নকল করা আইনত দণ্ডনীয়!!
► ভিক্টোরিয়াতে(অস্ট্রেলিয়া) লাইট বাল্ব
বদলানোর জন্য অবশ্যই একজন সার্টিফিকেটধারী মেকানিক লাগবে!!
আপনি নিজে এই কাজ করতে পারবেন না,
যদি না আপনার ইলেক্ট্রনিক্সের উপর
সার্টিফিকেট না থাকে!!
► আপনার যদি বুক
জ্বালাপোড়া করে তাহলে চুইংগাম খান এতে বুক জ্বালাপোড়া কমে যাবে!
► গড়ে একজন মানুষ তার জীবিত কালের মোট
১২বছর টিভি দেখে কাটায়!
►কফি শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য
করে এবং এটি চা-এর চেয়ে বেশি উপকারী!
►ভারতে প্রায় ৫ কোটি বানর বাস করে!!! ►বিড়াল তার গলা দিয়ে প্রায় ১০০ ধরণের
আওয়াজ করতে পারে!
► প্রতিদিন বিশ্বের প্রায় ৮২০০ মানুষ
এইডসে (HIV ভাইরাস) আক্রান্ত হচ্ছে!!
► বর্তমান বিশ্বে প্রায় ২ মিলিয়নেরও
বেশি বাচ্চা HIV ভাইরাস নিয়ে বেঁচে আছে!! ► গত বছরে এইডসে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ৩০
লক্ষেরও বেশি!!
► এইডসে আক্রান্ত হবার পর মানুষ সাধারণত
১০ বছরের বেশি বাঁচে না!!
►Spain" এর অর্থ " খরগোশের দেশ "
►মহিলাদের অতি ব্যবহৃত লিপস্টিক তৈরি করার জন্য মাছের আইশ ব্যবহার করা হয়
।
►বিশ্বে প্রতিদিন যতবার I Love You
বলা হয় তার চেয়ে বেশি বলা হয় I Miss You
►প্রতিদিন পৃথিবীতে গড়ে ২০ টা ব্যাংক
ডাকাতি হয়।। গড় লোটপাটের পরিমাণ ২৫০০ ইউ, এস ডলার!!
►বিছা (scorpion) কে যদি আগুন
দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় তাহলে সেটি নিজেই
নিজেকে হুল ফুটিয়ে আত্মহত্যা করে ..(GK)
►একজন মানুষের রক্তের পরিমাণ তার মোট
ওজনের ১৩ ভাগের এক ভাগ। অর্থাৎ ৬৫কেজি ওজন মানুষের রক্তের পরিমাণ হল ৫
কেজি।
►কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ
তো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী ভাব আসবে ।
►কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায়
চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে । ►ব্রনের উপর রসুনের
কোঁয়া ঘষে নিন ,তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যাবে ।
গ্যারান্টি ।
►পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার
কাছে ঝামেলা লাগে ?আরে আমি আছি না ?আজ
থেকে যখনই আপেল খাবেন তখনই আপেলের খোসাটা হাত পায়ে ঢলে নিন ।
ফর্সা হবে পরিস্কার হবে
►পায়ের গোড়ালী ফাটলে ,পেয়াজ
বেটে প্রলেপ দিন ।ক্রীম কিংবা স্ক্রাব এর
ঝামেলায় যেতে হবেনা । (GK)
¤>- হাঁচি দেওয়ার সময় মানুষের হার্টবিট বন্ধ থাকে
¤>- পাইন ট্রি গাছের শিকড় ৩০ মাইল পর্যন্ত
লম্বা হতে পারে।
¤>- গড়ে একজন মানুষ জীবতকালের দুইবছর
ফোন করে কাটায়!
¤>- মৃত্যুর পর মানুষের কান সবুজাভ বাদামী কালার ধারন করে!
¤>- অটিস্টিক রোগীদের প্রায় ৬৫% বাহাতি! ☀কানাডাতে পাবলিক প্লেসে প্রস্রাব করা ও
থুথু ফেলার জন্যে 100কানাডিয়ান
টাকা জরিমানা দিতে হয়। ☀সৌদি আরবে দরিদ্র হওয়া আইনত নিষিদ্ধ।
যদি কোন সৌদি নাগরিক যথাযথ আইনসম্মত আয়-
রোজগার না করেন
তাহলে তাকে কারাগারে বন্দি রাখার বিধান
রয়েছে। ☀1800সালের দিকে ব্রিটেনে এক অদ্ভুত আইন
ছিল। আত্মহত্যার চেষ্টা করে কেউ ব্যর্থ
হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড । ☀শুধু মানুষ নয়, আয়না দেখে নিজেদের
চিনতে পারে আরো দুটো প্রানি,
শিম্পাঞ্জি এবং ডলফিন।
☀অস্ট্রেলিয়াতে বাচ্চারা সিগারেট
কিনতে পারবে না ! কারণ এটা আইনবিরোধী ।
কিন্তু সিগারেট খেতে পারবে ! এতে কোনো বাধা নেই ।
☀ জাপান-এ কোন মহিলাকে কোন পুরুষ
ডেটিং এর জন্যে একাধিকবার প্রস্থাব
করলে ঐ মহিলা তা ২য় বার প্রত্যাক্ষান
করা আইনত নিষিদ্ধ।
☀আমেরিকাতে আপনি আপনার বৌ- কে পিটাতে পারবেন আইনগত বৈধ ভাবে। কিন্তু
সেটা প্রতি মাসে একাবেরর জন্যে।
☀1800সালের দিকে ব্রিটেনে এক অদ্ভুত আইন
ছিল। আত্মহত্যার চেষ্টা করে কেউ ব্যর্থ
হলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড ।
☀শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের চেয়ে দশগুণ সময় স্বপ্ন দেখে পার করে।
|
☀ব্রিটিশ রাজা প্রথম জেমসের জিহ্বা এতটাই
বড় ছিল যে, তা মুখের ভেতর পুরোটা রাখা যেত
না। এজন্য তাঁর মুখ দিয়ে সবসময় লালা ঝরত।
ঠিকমতো খেতেও পারতেন না ! |
☀ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ
কেনেডির হত্যাকারী লি হার্ভি ওসওয়ালডের
মৃত দেহের চিহ্নিতকরণ ট্যাগ
নিলামে বিক্রি হয়েছিল 3600পাউন্ডে!
| ☀ খাবার পছন্দ না হলে কী করেন? বড় জোর
রাঁধুনীকে বকে দেন। কিন্তু 15শতকের জার্মান
রাজা সহজ পাত্র ছিলেন না। একদিন তাঁর
খাবার পছন্দ হলো না।
ক্ষেপে গিয়ে রাজপাচককে জ্যান্ত সেদ্ধ করার
আদেশ দিয়ে বসলেন। সে আদেশ পালনও হয়েছিল !
Read More...

AIDS

Leave a Comment
চারটি ইংরেজি শব্দ Acquired
Immune Deficiency
Syndrom এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল
AIDS (এইডস)। আবার
তিনটি ইংরেজী শব্দ Human
Immunodeficiency Virus এর সংক্ষিপ্ত রূপ হল HIV (এইচআইভি)।
এইচআইভির কারনে এইডস হয়। কোন
রোগ বা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার
জন্য শরীরের স্বাভাবিক
ক্ষমতাকে এইচআইভি ক্রমান্বায়ে ধ্বংস
করে দেয়। তাই, এইডস আক্রান্ত ব্যক্তি অতি সহজেই যেকোন
রোগে (যেমন: নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা,
ডায়রিয়া) আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
চিকিৎসা বিজ্ঞান এইডস এর কোন
প্রতিষেধক বা কার্যকর ওষুধ এখনও
আবিষ্কার করতে পারেনি। মানবদেহে এইচআইভি প্রবেশ করার
সাথে সাথেই শরীরে এইডস এর লক্ষণ
দেখা যায় না। এইচআইভি শরীরে প্রবেশ
করার ঠিক কতদিন পর একজন
ব্যক্তির মধ্যে এইডস এর লক্ষণ
দেখা দেবে তা ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা এবং অঞ্চলভেদে ভিন্ন হয়।
তবে এটা মনে করা হয়ে থাকে যে,
এইচআইভি সংক্রমণের শুরু
থেকে এইডস- এ উত্তরণ পর্যন্ত
সময়ের ব্যাপ্তি সাধারণত ৬ মাস
থেকে বেশ কয়েক বৎসর এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ৫-১০ বৎসর অথবা তারও
বেশি। এই সুপ্তাবস্থার তাৎপর্য হচ্হে,
এই সময়ের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমিত
একজন ব্যক্তি (যার শরীরে এইডস -এর
কোন লক্ষণ যায়
নি বা যে আপাতদৃষ্টিতে সুস্খ) তার অজান্তেই অন্য একজন সুস্থ ব্যক্তির
দেহে এইচআইভি ছড়িয়ে দিতে পারে।
এইডস এর প্রধান লক্ষনসমূহ
এইডস -এর নির্দিষ্ট কোন লক্ষণ নেই।
তবে, এইডস আক্রান্ত ব্যাক্তি অন্য
যে রোগে আক্রান্ত হয় সে রোগের লক্ষণ দেখা যায়। এই লক্ষণগুলোর
মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে: (১)
শরীরের ওজন অতি দ্রুত হ্রাস
পাওয়া (২) দীর্ঘদিন (দুমাসেরও
বেশি সময়) ধরে পাতলা পায়খানা (৩)
পুন: পুন: জ্বর হওয়া বা রাতে শরীরে অতিরিক্ত ঘাম
হওয়া (৪) অতিরিক্ত অবসাদ অনুভব
হওয়া (৫) শুকনা কাশি হওয়া ইত্যাদি।
উল্ল্যেখ যে কারো মধ্যে উপরিউক্ত
একাধিক লক্ষণ দেখা দিলেই তার এইডস
হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না। তবে, কোন ব্যক্তির এসব লক্ষণ
দেখা দিলে বিলম্ব না করে অভিজ্ঞ
ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
এইচআইভি কিভাবে সংক্রমিত হয়
বায়ু, পনি, খাদ্য অথবা সাধারণ ছোঁয়ায়
বা স্পর্শে এইচআইভি ছড়ায় না। এইচআইভি মানবদেহের
কয়েকটি নির্দিষ্ট তরল পদার্থে (রক্ত,
বীর্য, বুকের দুধ) বেশি থাকে। ফলে,
মানব দেহের এই তরল
পদার্থগলো আদান-প্রদানের
মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে। সুনির্দিষ্টভাবে
যে যে উপায়ে এইচআইভি ছড়াতে পারে তা হল:
১) এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত
রোগীর রক্ত ব্যাক্তির
দেহে পরিসঞ্চালন করলে
২) আক্রান্ত ব্যাক্তি কতৃক ব্যবহৃত সুচ বা সিরিঞ্জ অন্য কোন
ব্যাক্তি ব্যবহার করলে
৩) আক্রান্ত ব্যক্তির কোন অঙ্গ
অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করলে
৪) এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত মায়ের
মাধ্যমে (গর্ভাবস্থায়, প্রসবকালে বা সন্তানের মায়ের দুধ
পানকালে)
৫) অনৈতিক ও অনিরাপদ দৈহিক মিলন
করলে
এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ
এইচআইভি সংক্রমণের উপায়গুলো জেনে এ
সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির
মাধ্যমে আমরা এইডস প্রতিরোধ
করতে পারি। এইডস প্রতিরোধে যেসব
ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তা হল:
১) অন্যের রক্ত গ্রহণ বা অঙ্গ প্রতিস্থাপনে আগে রক্তে এইচআইভি আছে কিনা পরীক্ষা করে নেয়া
২) ইনজেকশন নেয়ার
ক্ষেত্রে প্রতিবারই নতুন সুচ/সিরিঞ্জ
ব্যবহার করা
৩) অনিরাপদ যৌন আচরণ থেকে বিরত
থাকা ৪) এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত মায়ের
সন্তান গ্রহণ বা সন্তানকে বুকের দুধ
দেয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ
নেয়া
৫) কোন যৌন রোগ থাকলে বিলম্ব
না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া যৌনরোগ এবং এইচআইভি
ইংরেজি শব্দাবলী Sexually
Transmitted Disease
এবং Sexually Transmitted
Infection এর সংক্ষিপ্ত নাম
যথাক্রমে এসটিডি (STD) এবং এসটিআই (STI)। এসব রোগ
বা সংক্রমণ সাধারণত অনিরাপদ
যৌনমিলনে মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে।
কিছু কিছু যৌনরোগ যৌনমিলন
ছাড়া অন্য উপয়েও সংক্রমিত
হতে পারে। যৌনরোগসমূহ ভাইরাসঘটিত অথবা ব্যকটেরিয়া ঘটিত হতে পারে। এ
ধরনের প্রধান রোগগুলো হল: গনোরিয়া,
সিফিলিস, ক্ল্যামিডিয়া, এইচআইভি,
জননেন্দ্রিয়ের চর্মরোগ ও ফোঁড়া,
হেপাটাইটিস-বি ইত্যাদি। এসব রোগের
প্রধান লক্ষণগুলো হল: যননাঙ্গ বা এর আশেপাশে ঘা/চুলকানি হওয়া, প্রসাবের
সময় ব্যথা ও জ্বালা করা, যৌনাঙ্গ
থেকে পুঁজ পড়া ইত্যাদি।
যৌনরোগ এবং এইচআইভির মধ্যে নিবিড়
সম্পর্ক বিদ্যমান। যাদের কোন
যৌনরোগ রয়েছে তাদের এইচআইভি দ্বরা আক্রান্ত হওয়ার
ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে অনেকগুণ বেশি।
এইডস অক্রান্ত ব্যাক্তির পরিচর্যা
মরণব্যাধি এইডস এর
পরিণতি আমরা জানি। একজন এইডস
আক্রান্ত ব্যক্তি অতি সহজেই অন্যকে সংক্রমিত
করে না এবং অক্রান্ত হওয়ার
সাথে সাথে তার
কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে না। তাই
আমাদের লক্ষ্য রাখা উচিত এইডস
আক্রান্ত ব্যক্তিকে আমাদের সামজ থেকে যেন বিচ্ছিন্ন করা না হয়।
তাকে স্বাভাবিক জীবন-
যাপনে উৎসাহিত করতে হবে।
সুতরাং তাদের প্রতি আমাদের করনীয়
হবে:
১) এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ
আচরণ করা,
২) তাদেরকে মানসিকভাবে প্রফুল্র
রাখার চেষ্টা করা এবং তাদের
প্রতি যত্নবান হওয়া,
৩) তাদেরকে অন্যান্য সবার মত সমান সুযোগ দেয়া,
৪) এইচআইভি অক্রান্তদের নিত্য-
নৈমিত্তিক কাজ থেকে বঞ্চিত না করা,
৫) পরিবারের ও সমাজের অন্যান্য
সদস্যগণ কতৃক এদের প্রয়োজনীয়
চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
Read More...

প্যারাসিটামল সম্পর্কে ১০টি তথ্য

Leave a Comment
১। প্যারাসিটামল সাধারণত
ব্যথানাশক ও
তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়।
২। পৃথিবীতে একশটিরও বেশি ওষুধের
সাথে মিশ্রিত করে এটি ব্যবহার করা হয় এবং বিশ্বজুড়ে ওটিসি ড্রাগ
হিসেবে পাওয়া যায়।
৩। প্রাপ্ত বয়স্কদের চার গ্রাম
অর্থাৎ আটটি ট্যাবলেট এর
বেশি কোনভাবেই একদিনে গ্রহণ
করা যাবে না। ৪। কোন ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধির
লক্ষ্যে প্যারাসিটামল মিশ্রিত
করা আছে কিনা এ বিষয়ে অবগত
থাকতে হবে।
৫। কখনো অ্যালকোহল পান করার পর
প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে না। ৬। প্যারাসিটামল খাওয়ার পর
অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট জাতীয়
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে দ্রুত
ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
৭। পাকস্থলীতে ব্যথা, অতিরিক্ত
ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি করা, ডায়রিয়া ইত্যাদি উপসর্গ
দেখা দিলে প্যারাসিটামল
গ্রহণকারীকে দ্রুত
হাসপাতালে নিতে হবে।
৮। ডাক্তারের পরামর্শ
ছাড়া প্যারাসিটামল খেলে সঠিক নির্দেশিকা যেমন-জ্বরের জন্য
সর্বোচ্চ তিন দিন, ব্যথার জন্য
সর্বোচ্চ দশ দিন এরূপ নিয়মকানুন
মেনে চলতে হবে।
৯। গর্ভবতী মহিলা ও
দুগ্ধবতী মায়েদের ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খাওয়া সম্পূর্ণ
নিষিদ্ধ। এ অবস্থায় কোনভাবেই
ডাক্তারের
অনুমতি ছাড়া খাওয়া যাবে না।
১০। সঠিক
নির্দেশনা অনুযায়ী খেলে প্যারাসিটামল একটি নিরাপদ ওষুধ কিন্তু
অতিমাত্রায় গ্রহণ বা দীর্ঘদিন
ব্যবহার করলে কিডনী ও লিভার এর
মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
Read More...

গ্রীন টি কেন উপকারী

Leave a Comment
গ্রীন টি বা সবুজ চা উপকারী এ
নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। তবে সবুজ
চা পানের একটা নিয়ম অনুসরণ
করতে হবে। সম্প্রতি গবেষণায়
দেখা গেছে সবুজ চা ‘কমন কোল্ড’
বা শীতকালীন ঠান্ডাজনিত সমস্যা রোধ করতে সহায়ক।
কানাডিয়ান গবেষকগণ গবেষণায়
দেখেছেন ঠান্ডাজনিত সমস্যার জন্য
দায়ী এডিনো ভাইরাস-এর বিস্তার
রোধে সবুজ চায়ের ইজিসিজি নামক এক
ধরনের রাসায়নিক যৌগ সাহায্য করে। গ্রীন টি যত বেশি গাঢ়
হবে (আমরা যাকে বলি কড়া চা) তত
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি হবে।
বিশেষজ্ঞগণ আরো দেখেছেন গ্রীন
টি গরম পানিতে অন্তত ১০ মিনিট
রেখে দিলে প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধক রাসায়নিক যৌগ
বেশি নিঃসৃত হয়।
Read More...

নাকের ড্রপ বেশি ব্যবহার করবেন না

Leave a Comment
সর্দি হলেই যাদের নাক বন্ধ হয়ে যায়
তারা সাধারণত নাকের ড্রপ ব্যবহার
করেন। এই
ড্রপগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কাজ
করে। নাকে দুই-তিন ফোঁটা ড্রপ দেয়ার
কয়েক মিনিটের মধ্যে বন্ধ নাক খুলে যায়। স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস
নেয়া যায়। কিন্তু এই ড্রপগুলোর
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যা মোটেই
সুখকর নয়। নাকের ড্রপ
একটানা তিন-চার দিন ব্যবহার
করলে নাসারন্ধের আবরণী কলাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়
এবং সাইনুসাইটিসের জটিলতা বাড়ে।
তাই নাকের ড্রপ যতই কম ব্যবহার
করা যায় ততই মঙ্গল। তবে দিনের
অধিকাংশ সময়ই যাদের নাক বন্ধ
থাকে এবং যারা এসব ড্রপের ওপর বেশি মাত্রায় নির্ভরশীল তাদের জন্য
একটি ভালো পরামর্শ রয়েছে। আর
তা হলো বিকল্প ন্যসাল ড্রপ।
ব্যবহার্য ন্যসাল ড্রপের অর্ধেক
ফেলে দিয়ে তাতে পানি ভরে নিতে হবে।
পানি অবশ্য কমপক্ষে ১০ মিনিট সিদ্ধ করতে হবে। ব্যস, হয়ে গেল
বিকল্প ন্যসাল ড্রপ। এই ড্রপটি এক
নাগাড়ে ছয়-সাত দিন ব্যবহার
করা যাবে।
Read More...

Saturday, August 4, 2012

সাপে কাটলে আপনাকে যা করতে হবে

Leave a Comment
সাপে কাটা রোগীকে সাহস
দিতে হবে যাতে সে আতন্কিত
না হয়৷ এসময় যা দরকার
তাহলো জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক
চিকিত্সা দেয়া প্রয়োজনে হাসপাতালে পাঠানো৷
সাপের কামড় বা দংশিত স্থান
কোনো কিছু দিয়ে কাটা উচিত নয়৷
কেবলমাত্র ভিজে কাপড়
দিয়ে কিংবা জীবাণুনাশক লোশন
দিয়ে ক্ষতস্থান মুছে দিতে হবে৷ দংশিত স্থান থেকে ভিতরের
দিকে সাথে সাথে গামছা বা কাপড়
দিয়ে কেবলমাত্র একটি গিট
(পায়ে দংশন করলে রানে,
হাতে দংশন করলে কনুইয়ের
উপরে গিট) এমনভাবে দিতে হবে যেন খুব
আঁটসাট বা ঢিলে কোনোটাই না হয়
(যেন একটি আঙ্গুল একটু চেষ্টায়
ভিতরে যেতে পারে)৷ সাপে কাটার স্থান
বেশি নড়াচড়া করা যাবে না কারণ
মাংসপেশী সংকোচন করলে বিষ
দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷
োগীকে দ্রুত
হাসপাতালে পাঠাতে হবে এবং কোনোভাবেই
হাটতে দেওয়া যাবে না৷
রোগীকে কাঁধে, খাটিয়ায়
বা দোলনায়
করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ৷ সম্ভব হলে যে সাপে কামড়
দিয়েছে তার প্রজাতি ও
সেটি বিষধর কিনা তা নিরুপনের
জন্য সঙ্গে নিতে হবে৷
এক্ষেত্রে সাপটি মৃত
কিনা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে নিন৷
জরুরি কোনো উপসর্গ
না থাকলে বিষদাতের চিহ্ন
পরীক্ষার জন্য দংশিত স্থান
পরীক্ষা করে দেখা জরুরি৷
বিষদাঁতের দাগ প্রায় আধা ইঞ্চি ফাঁকে দুটি খোচা দেয়ার
চিহ্ন হিসাবে অথবা কেবল আঁচড়ের
দাগ হিসেবে দেখা যেতে পারে৷
দুটো বিষদঁাতের চিহ্ন
পরিষ্কারভাবে থাকলে মনে করা হয়
সাপটি সম্ভবত বিষধর৷ কিন্তু বিষদাঁতের চিহ্ন না থাকলেও
বিষধর সাপের কামড় হতে পারে৷ কামড়ানোর স্থানে চামড়ার রঙ
বদলে যেতে পারে৷ যেমন
কালচে হওয়া, ফুলে যাওয়া,
ফোসকা পড়া, পচন
ধরা ইত্যাদি হতে পারে আবার
চামড়াতে কোনো পরিবর্তন নাও হতে পারে৷
Read More...

উত্তেজক ওষুধ নিষেধ

Leave a Comment
আজকাল তরুণ থেকে বয়স্ক লোক
পর্যন্ত কারণে-অকারণে উত্তেজক
ওষুধ সেবন করেন। এমনকি উত্তেজক
ওষুধ সেবনকারীদের একটি বড় অংশ
অবিবাহিত তরুণ, ছাত্র, যুবক। ওষুধের
দোকানে চাইলেই এসব মারাত্মক ক্ষতিকর ওষুধ পাওয়া যায়। কোন
প্রকার ব্যবস্থাপত্র লাগে না।
ফলে হাজার হাজার পুরুষ অযথা এসব
ওষুধের ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার
শিকার হচ্ছেন। কেবলমাত্র যাদের
শারীরিক সমস্যা আছে তারাই কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ
অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধ সেবন
করতে পারেন। উত্তেজক ওষুধের
সহজপ্রাপ্যতার কারণে বেশীরভাগ
ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ
ছাড়া এসব ওষুধের মারাত্মক অপব্যবহার হচ্ছে। ফলে তরুণদের
স্বাভাবিক শারীরিক ক্ষমতা নষ্ট
হচ্ছে। এসব
কারণে একেবারে নবাগতদের দাম্পত্য
জীবনও হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। তরুণদের
মধ্যে জন্ম নিচ্ছে বিবাহ-ভীতি। তাই কোন অবস্থাতেই তরুণদের কোন
ধরণের উত্তেজক ওষুধ সেবন
বাঞ্ছনীয় হতে পারে না। তবে যাদের
বয়স ৫০ এর বেশী, শারীরিক
সমস্যা রয়েছে এমন পুরুষ সংশ্লিষ্ট
বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধটি নির্দেশিকা অনুযায়ী
সেবন করতে পারেন। আর যাদের
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির
সমস্যা, বুকে ব্যথা সহ অন্যান্য
হার্টের সমস্যা রয়েছে তারা সংশ্লিষ্ট
চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত উত্তেজক ওষুধ খাবেন না।
এছাড়া বাজারে হারবাল টনিক ও
হার্বাল শক্তি বর্ধকের নামে যেসব
ওষুধ অবাধে নিয়ন্ত্রনহীন
ভাবে বিক্রয় হচ্ছে তাও অত্য-
ক্ষতিকর। এসব ওষুধের চেয়ে মনের জোর বাড়ানো ও নিয়মিত ব্যায়াম
করা ফলদায়ক।
Read More...

কফি হার্টের সুরক্ষা করে

Leave a Comment
কফি শুধু
আপনার
এনার্জি বাড়িয়ে দেবে তা নয়।
মনকে চাঙ্গা করার সঙ্গে আপনার
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনকেও স্বাভাবিক
করে তুলবে কফি। সমপ্রতি একটা গবেষণাতে এই তথ্যই
প্রমাণিত হয়েছে। কিছুদিন আগেই
আমেরিকাতে কফির গুণাগুণ
নিয়ে গবেষণা করেছিলেন ডা. আর্থার
ক্লাটস্কাই। তিনি ১৩০,০৫৪ জন
পুরুষ- মহিলাকে নিয়ে গবেষণা করেছিলেন।
যাদের প্রত্যেকেরই বয়স ছিল ১৮
থেকে ৯০ বছরের মধ্যে। এদের
মধ্যে যারা প্রতিদিন চার কাপ বা তার
বেশি কফি খেয়েছেন তাদের মধ্যে হার্ট
সংক্রান্ত নানা সমস্যা ১৮% কমে গেছে। অপরদিকে যারা এক
থেকে তিন কাপ কফি খেয়েছেন তাদের
৭% হার্টের সমস্যা কম হয়েছে।
Read More...

কম ঘুমানো ক্ষতিকর

Leave a Comment
রাতজাগা এখন ক্রেজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কেউ রাত জেগে প্রেমিকের
সঙ্গে চুটিয়ে গল্প করে। কেউ রাত
জেগে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। আবার
কেউ গভীর রাতে পার্টির
আমোদে মেতে সারা রাত পার করে। তবে যারা রাতে সাধারণত
না ঘুমিয়ে অন্য কাজে সময় ব্যয়
করে থাকেন তারা এবার হুশিয়ার
হয়ে যান। কারণ, গবেষণা বলছে,
রাতে না ঘুমানোর ফলে আপনার
স্বাস্থ্য ভীষণভাবে প্রভাবিত হবে। মেটাবলিক ডিজিজ
ছাড়া রাতে না ঘুমানোর ফলে আপনার
ওজনও বেড়ে যেতে পারে। অর্থাত্
আপনি হঠাত্
করে মোটা হয়ে যেতে পারেন।
কিছুদিন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে ফরেস্ট
ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের
গবেষকরা গবেষণা করেছিলেন। তাদের
গবেষণালব্ধ তথ্য
থেকে যা উঠে এসেছে তা হলো কম
ঘুমানো যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ, সে রকম অত্যধিক ঘুমানোর ফলেও
স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।
গবেষকদের মতে প্রতিদিন রাতে ছয়
থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। এই
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলেই আপনি নিজের
বিপদ ডেকে আনবেন।
Read More...

Friday, August 3, 2012

ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তা ?

Leave a Comment
ত্বকের গঠন অত্যন্ত জটিল। এ
জটিলতম ত্বকে একাধিক কারণেও
বিভিন্ন রকমের সমস্যা দেখা দেয়, এর
মধ্যে অন্যতম হলো ব্রণের সমস্যা।
ব্রণ মূলত টিনএজারদের সমস্যা। এ বয়সে যখন মুখের সৌন্দর্যের
প্রতি সবাই আকর্ষণ বোধ করে ও
প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে ঠিক
সে বয়সেই মুখে এই
বিশ্রী গোটাগুলো দেখা দেয়, যা তাদের
অন্যতম দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ একটু সচেতন থাকলেই এ
সমস্যা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব।
ব্রণ হওয়ার কারণঃ সাধারণত
বয়ঃসকিালে অথবা হরমোনের
প্রভাবে ব্রণ হয়ে থাকে। অনেক
ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবেও ব্রণ কমবেশি হয়ে থাকে। সাধারণত ১৩
থেকে ১৯ বছর বয়সে এটি হয়। এ
বয়সেই কমবেশি ব্রণ হয়ে থাকে।
তবে ২০ বছর বয়সের পর
থেকে এগুলো স্বাভাবিকভাবেই
আস্তে আস্তে কমতে থাকে। যাদের মুখ অতিরিক্ত তৈলাক্ত, তাদের ব্রণ
তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।
ব্রণ থেকে মুক্তির উপায়ঃ কিছু নিয়ম
অবলম্বন করলেই ব্রণ
থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। অনেকের
ধারণা, কোনো বিশেষ খাবার খেলেই ব্রণ হয়ে থাকে। আসলে এটি ঠিক নয়।
কোনো খাবার খেলে যদি ব্রণের
সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে সে
খাবারটি বাদ দিতে হবে। তবে প্রচুর
ফলমূল ও পানি খেতে হবে।
মুখে বেশি ব্রণ থাকলে রাসায়নিক কোনো উপাদান বা কসমেটিক ব্যবহার
করা ঠিক নয়, যথাসম্ভব প্রাকৃতিক
বা হারবাল জিনিস ব্যবহার করা ভালো।
কারণ
এতে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
অধিকাংশ ব্রণ নিজস্ব পরীক্ষার মাধ্যমে সেরে ফেলা সম্ভব।
ব্রণ প্রতিরোধে কিছু উপায়ঃ মূলত
ব্রণের জন্য সবচেয়ে বড় ওষুধ
হলো অপেক্ষা করা। ব্রণ নিয়ে কখনোই
বেশি চিন্তা করবেন না। ব্রণ দু-
একটা হবে আবার একাই চলে যাবে। অতিরিক্ত ব্রণ হলে একটা চিন্তার
বিষয়। তবে নিচের
পরামর্শগুলো অবশ্যই
মনে রাখা প্রয়োজন।
? ত্বক পরিষ্কার রাখুন।
মুখে ভালো সাবান মেখে দু-এক মিনিট রাখুন। পরে আস্তে আস্তে পরিষ্কার
করুন।
? অ্যাসট্রিনজেন্ট লোশন বা ফেস
স্ক্রাব ব্যবহার করুন।
? প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস। ? ত্বকে কোনো রকম অত্যাচার
করবেন না এবং হাত লাগাবেন না, ত্বক
কুচকাবেন না, খামচাবেন না,
গোটা খোঁটাখুঁটি করবেন না।
গোটা খুঁটলে হাতের জীবাণু
থেকে ইনফেকশন হয়, ফলে দাগ পড়ে যা সহজে সারে না। এ
ছাড়া ত্বকে আরো বিভিন্ন
সমস্যা দেখা দিতে পারে।
শরীরের ঘাম দ্রুত মুছে ফেলুন।
? ওয়াটার বেজড মেকআপ ব্যবহার
করুন। তৈলাক্ত ক্রিম, লোশন বা মেকআপ ব্যবহার করবেন না ।
? প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ
নিন।
Read More...

জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদেরঅবদান

Leave a Comment
জ্ঞান অর্জন না করে নিজেকে জানা যায় না, সৃষ্টিতথ্য বোঝা যায় না, পরমস্রষ্টাকে চেনা যায় না, ক্ষমতাধর হওয়া যায় না এবং নেতৃত্ব দেয়া যায় না। খ্রিস্টিয় ৭ম শতাব্দী থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখায় মুসলমানেরা ছিল সর্বেসর্বা। আল-কোরআনের পাশাপাশি তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান বিষয়ক সকল
প্রকার বই পড়েছেন, গবেষণা করেছেন। তারা মহান স্রষ্টার সৃষ্ট প্রকৃতির নির্দেশনাবলীর ওপর গবেষণার মাধ্যমে সত্য উপলব্ধি করেছেন। আত্মশুদ্ধি ঘটিয়েছেন। যাবতীয় জ্ঞান- বিজ্ঞানের বই পড়েছেন এবং বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার
শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। ইবনে আল হাইসাম ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন পদার্থ বিজ্ঞানী। তিনি সর্বপ্রথম জড়বস্তু ও আলোর প্রতিসরণ তত্ত্ব প্রদান করেন। পরবতর্ীতে যা নিউটনের হাতে পুনরাবিষ্কৃত হয়। জাবির বিন হাইয়ান রসায়ন শাস্ত্রের ভিত্তি রচনা করেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ইবনে সিনা, জাবির হাসান বিন হাইয়ান, আল রাজির নাম উলেস্নখযোগ্য। তাদের লিখিত বইয়ের ল্যাটিন অনুবাদ ইউরোপের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ্য ছিল। কম্পিউটারের আবিষ্কার কিন্তু অঙ্ক শাস্ত্রনির্ভর। বস্তুত ‘সংখ্যাতাত্তি্বক পরিমাণ’ আল খাওয়ারেযমীই প্রথম প্রণয়ন করেছিলেন। নিউটনের বহু আগে কবি ওমর খৈয়াম ‘বাইনোমিয়াল থিউরাম’ আবিষ্কার করেন। পৃথিবীর প্রথম সম্পূর্ণ মানচিত্র প্রণয়ন করেন মুসলিম ভুগোলবিদ ইবনে হাক্কল। আল ফারাবি ছিলেন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিদ ও দার্শনিক। তিনি ৭০টি ভাষায় কথা বলতে পারতেন। আল বিরুনি এবং ইবনে বতুতা প্রমুখ মুসলিম মনিষী ভূবিদ্যার প্রসারে অনেক অবদান রেখে গেছেন। ইবনে খালদুনকে বলা হয় ইতিহাস, দর্শন ও সমাজ বিজ্ঞানের জনক। বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক ছিলেন ইবনে জাবির তাবারি। ‘তারিখ আল রাসূল ওয়া আল মুলুক’, তাঁর এ গ্রন্থটি সারাবিশ্বে রেফারেন্স হিসেবে গঠিত হচ্ছে। আল কিন্দি গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ৩৬৯টি গ্রন্থ রচনা করেন। অতীতে জ্ঞান- বিজ্ঞান প্রযুক্তিতে নয় বরং ব্যবসা- বাণিজ্যে, শিল্প, কল- কারখানাতে মুসলমানদের ছিল গুরুত্বপূর্ণ অবদান। আব্বাসীয় খলিফা মামুন বাগদাদে ‘দারুল হিমাহ’ নামে যে বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন তাতে সে যুগে প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল। যখন খ্রিস্টীয় সমাজে বৈজ্ঞানিক উন্নয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা চলছিল তখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে বহুসংখ্যক গবেষণা ও আবিষ্কার সাধিত হয়। কর্ডোভার রাজকীয় পাঠাগারে ৪ লাখ বই ছিল। ইবনে রুশদ তখন সেখানে গ্রিক, ভারতীয় ও পারস্য দেশীয় বিজ্ঞানে পাঠদান করতেন। যার কারণে সারা ইউরোপ থেকে পণ্ডিতরা কর্ডোভায় পড়তে যেতেন। যেমন আজকের দিনে মানুষ তাদের শিক্ষার পরিপূর্ণতার জন্য বৃটেনে, আমেরিকা যায়। ‘ইসলাম ও আরবি সভ্যতার ইতিহাস’ বইতে ওস্তাভলি বোঁ লিখেছেন, ‘ইউরোপে যখন বই ও পাঠাগারের কোনো অস্তিত্ব ছিল না, বহু মুসলিম দেশে তখন প্রচুর বই ও পাঠাগার ছিল। সত্যিকার অর্থে বাগদাদের ‘বায়তুল হিকমা’য় ৪০ লাখ, কায়রোর সুলতানের পাঠাগারে ১০ লাখ, সিরিয়ার ত্রিপোলী পাঠাগারে ৩০ লাখ বই ছিল। অপরদিকে মুসলমানদের সময়ে শুধু স্পেনে প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ হাজার বই প্রকাশিত হতো।মনব সভ্যতার ইতিহাসে, ও জ্ঞান বিজ্ঞানের
বিভিন্ন শাখায় মুসলিম মনীষীদের
অবদানকে চিরতরে মূছে দেয়ার
ষডযন্ত্রে তাদের নাম বিকৃত করা হয়েছে,
বিকৃ্তকৃ্ত এমন কিছু মহা মানবদের নাম
নিম্নে উল্লেখ করছিঃ প্রকৃ্ত নাম– বিকৃ্ত নাম
আবু ইসহাক নুরুদ্দীন আল বুতরুজী Albetragius
ইবনে রুশদ Averroes 1126-1198
মূসা ইবনে মাইমুন Maimonides
ইবনে বাজ্জাহ Avempace 1095-1138
ইবনে যুহার Avenzoar আল ফারাবী Alpharabius 870-950
জাবির বিন হাইয়্যান Geber
আল রাজী Rhazes
ইবনে সীনা Avicenna 980-1037
আবু ইসহাক ইব্রাহীম ইবনু ইয়াহিয়া আয
জারকালী Arzachel আবু মায়াশার Albumasar
আল খাওয়ারেজেমী Algorithm
আল ফারগানী Alfarganus
আল বাত্তানী Alpetegnius
আল মামুন Almanon
ইবনুল হাইসুম Alhazen 965-1040 হুনাইন ইবনু ইসহাক Johannitus
আস সুফী Azophi
আল গাজ্জালী Algazel 1058-19
December 1111
আব্বাস ইবনে ফরনাস Armen Firman
আল ইদ্রিসী Dreses আল কিন্দী Alkindus 801-873
আল মাসউদী Alboacen
আল জাহারাবী Albucasis
খালিদ ইবনে ইয়াযিদ Calid
আলী ইবনে আব্বাস আল মাজুসী (Haly Abbas)
ইবনে তোফাইল Abubacer 1105-1185 আল বাইরুনী Alberonius 5 September
973-13 December 1048
সাহাবুদ্দীন সোহওরদী Sohrevardi
1155-1191
Read More...

Thursday, August 2, 2012

মুখে দুর্গন্ধ ও মাঢ়ির রক্তপড়া

1 comment
আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন
যারা মুখের দুর্গন্ধের জন্য প্রায়ই
বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।
অফিস, বাসা, স্বামী, স্ত্রী, বন্ধু-
বান্ধবের আড্ডা কোথাও
মনখুলে কথা বলতে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শুধু মুখের দুর্গন্ধের জন্য। আবার
অনেকেই আছেন যাদের মুখ থেকে থুথু
ফেললে বা ব্রাশ
করলে বা যে কোনো জিনিস দিয়ে অল্প
খোচা লাগলেও রক্ত পড়ে সাধারণত
ডেন্টাল প্লাক, কেলকুলাস (পাথর) ও জিনজিভাইটিস, এই
তিনটি কারণে মুখে দুর্গন্ধ
এবং রক্তপড়ার সমস্যা হয়। এই
সমস্যা দূর করার জন্য ডেন্টাল
স্কেলিং করতে হবে এবং সাথে সাথে ওষুধ
এবং ভিটামিন-সি খেতে হবে। ঠিকমতো চিকিৎসা হলে তা থেকে ১৪
দিনের মধ্যে খুব সহজেই এই সমস্যা দূর
হয়ে যায়।
Read More...

Tuesday, July 31, 2012

বিশ্ববিখ্যাত আগ্নেয়াস্ত্রএকে-৪৭ সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

Leave a Comment
বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক সমাদৃত ও
গেরিলা যোদ্ধাদের সিগনেচার
হিসেবে পরিচিত বহুল ব্যবহৃত
আগ্নেয়াস্ত্রের নাম একে-৪৭।

১৯৪৭ সালে আবিষ্কৃত হয়ে আজ পর্যন্ত প্রায়
৭০ মিলিওনেরও বেশি একে-৪৭ ও ১০০
মিলিওনেরও বেশি একে-৪৭ টাইপ
আগ্নেয়াস্ত্র বিশ্বের প্রায় ৫০ টিরও
বেশি দেশের সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত
হচ্ছে। একে-৪৭ ডিজাইন করেন সোভিয়েত ট্যাংক কম্যান্ডার মিখাইল কালাশনিকভ।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একে-৪৭ এর
চাইনিজ টাইপ ব্যবহৃত হয়।

এক নজরে একে-৪৭ ঃ AK-47
পূর্ণরূপঃ Avtomat
Kalashnikova
Obraztsa-1947 প্রস্তুতকারী দেশঃ
সোভিয়েত রাশিয়া প্রস্তুতকারকঃ মিখাইল
কালাশনিকভ ক্যালিবারঃ ৭.৬২x৩৯
মিমি অপারেটিং ঃ গ্যাস
অপারেটেড ওভারঅল দৈর্ঘ্যঃ ৮৭০
মিমি ব্যারেল এর দৈর্ঘ্যঃ ৪১৫
মিমি খালি ম্যাগাজিন সহ
ওজনঃ AK-৪.৩ কেজি,
AKM-৩. ১৪ কেজি ম্যাগাজিন
ধারণক্ষমতাঃ ৩০ রাউণ্ড সাইক্লিক রেট অব
ফায়ারঃ মিনিটে ৬০০
রাউণ্ডস জনপ্রিয়তার কারণঃ সৈন্যদের মধ্যে একে-৪৭
এর জনপ্রিয়তার মুল কারন
এটি পানিতে ভিজিয়ে,
ধুলাতে রেখে বা এর উপর
দিয়ে রাস্তা মেরামতের
রোলার চালানোর পরও এটিকে আগের মতই
ব্যবহার করা যায় যা এর
সমপর্যায়ের অন্যান্য
অস্ত্রের ক্ষেত্রে অসম্ভব। একে-৪৭ এর অন্যতম
বৈশিষ্ট হল এর বুলেটের
মারাত্মক ভেদনক্ষমতা।
এটি থেকে ৭.৬২x৩৯
মিমি বুলেটকে ৭১৫
মিটার/ সেকেন্ডে ছুড়লে তা ৮
ইঞ্চি কাঠ ও ৫
ইঞ্চি কনক্রিটকে সহজে
ভেদ করার ক্ষমতা রাখে।

এতে কাস্টমাইজ বুলেটও
ব্যবহার করা যায়। এতে সিঙ্গেল শট, ব্রাষ্ট
অফ ফায়ার এবং গ্রেনেড
ছোড়ারও সুবিধা আছে। নির্ভরতার দিক
থেকে একে-৪৭ এক অনন্য
উদাহরণ। একে-৪৭ এ কখনো ব্যাক
ফায়ার হয়না।

পৃথিবীর
যেকোনো স্থানে একে-৪৭
এর ব্যবহার সম্ভব। তীব্র শীত, গরম
বা ভেজা আবহাওয়াতে এর
কিছুই হয়না। অন্যান্য রাইফেলের
তুলনায় একে-৪৭ এ জ্যাম
হওয়ার রেট কম।
Read More...

Monday, July 30, 2012

রোহিঙ্গা তরুণীরা ভয়াবহযৌন নির্যাতনের শিকার,চলছে বাধ্যতামূলক শ্রম

Leave a Comment
মিয়ানমারের
রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর
বর্বর হত্যা ও নির্যাতন বন্ধ
হয়নি।
সরকারি মদদে সেখানকার নির্যাতন-হত্যাকাণ্ডের
বর্ণনা দিয়েছেন ভারতে আশ্রয়
নেয়া উদ্বাস্তুরা।
তারা ইরানের ইংরেজি ভাষার
নিউজ চ্যানেল প্রেস
টিভিকে জানিয়েছেন, মিয়ানমারের
নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ওপর
ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে।
তারা জানান, "আমরা ভয়াবহ
অবস্থার মধ্যে জীবনযাপন
করছি। তরুণীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর
সদস্যরা অকথ্য যৌন নির্যাতন
চালাচ্ছে। তাদের অনেককে জোর
করে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন
চালানোর পর আবার ফেরত
দিয়েছে যাতে আমরা এ অবমাননা নিয়ে চিরদিন বসবাস
করি।" এ ছাড়া, বিবাহিত
নারীদের ধরে অজানা জায়গায়
নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং তাদের
দিয়ে কয়েক সপ্তাহ
এমনকি মাসব্যাপী জোর করে কাজ করানো হচ্ছে কিন্তু
বিনিময়ে কোনো অর্থকড়ি দেয়া হচ্ছে না।
তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
ধরে নিয়ে যাওয়া নারীদেরকে আর
ফেরত দেয়া হচ্ছে না।" পশ্চিম মিয়ানমার
থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলমানরা আরো জানিয়েছেন,
মিয়ানমার সরকার
রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর
হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। জম্মু শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়
নেয়া এক তরুণ জানান,
"আমরা যতই
লেখাপড়া করি না কেন
মিয়ানমারের
সরকারি চাকরিতে আমাদের কোনো স্থান নেই। শুধু
আমরা কৃষি ক্ষেতে কাজ
করতে পারি এবং কঠোর পরিশ্রম
করে ফসল ফলানোর পর সরকার
সেখান থেকে অর্ধেক ভাগ
নিয়ে নেয়। শুধুমাত্র তাই নয় সরকার
আমাদেরকে সেনাঘাঁটিতে জোর
করে ধরে নিয়ে কাজ করতে বাধ্য
করে। কিন্তু
বিনিময়ে কোনো অর্থকড়ি দেয়
না। এ বিষয়ে কেউ প্রতিবাদ করলে পরক্ষণেই
তাকে হত্যা করা হয়।" মিয়ানমারের আরাকান
অঞ্চলে কয়েক
শতাব্দী ধরে রোহিঙ্গা মুসলমানরা বসবাস
করলেও সরকার তাদেরকে ওই
দেশের নাগরিক বলে স্বীকার
করে না। এসব মুসলমান বহুদিন ধরে সেখানকার মগ ও বার্মিজ
জাতিগোষ্ঠীর হাতে ব্যাপক
নির্যাতনের শিকার
হয়ে আসছেন। সম্প্রতি, এ
নির্যাতনের
মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এবং সেখানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যা শুরু হয়েছে। এ
অবস্থায় মিয়ানমারের
প্রেসিডেন্ট থিন সেইন
বলেছেন,
রোহিঙ্গা মুসলমানরা মিয়ানমার
ছেড়ে চলে গেলেই কেবল এ সমস্যার সমাধান হবে।
Read More...