Showing posts with label গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস. Show all posts
Showing posts with label গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস. Show all posts

Wednesday, May 30, 2012

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে ওজন মহিলা

Leave a Comment


পাওলিন পর্টার। বয়স ৪৭ বছর।
সবাই আদর করে ডাকে পাওলি। যুক্তরাষ্ট্রের
ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টোর
বাসিন্দা পাওলিন পর্টার ওজনে ৩১৭
কিলোগ্রাম। প্রায় ৮ মণ। সমপ্রতি গিনেস বুকে নাম তুলেছেন বিশ্বের
সবচেয়ে বেশি ওজনের নারী হিসেবে। ২০১২
সালের গিনেস বুকের নতুন
সংস্করণে সগর্বে চলে আসছে তার নাম। হালের টালিউড সেনসেশন পাওলি দামের
সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। নিজের
অভিনয় ও আবেদনময়ী শরীরী উত্তাপ দিয়ে এর
মধ্যে জয় করে নিয়েছেন ভক্তদের হৃদয়। তার
অভিনয় দক্ষতা ও শরীরী উত্তাপের
কথা ছড়িয়ে গেছে বলিউড পর্যন্ত। এবার যে পাওলির কথা জানাব তার
সঙ্গে টালিউডের পাওলির কোনো মিল নেই।
তিনি এক অন্য পাওলি। শুধু নাম
ছাড়া পাওলি দামের সঙ্গে আর কিছুই
মিলবে না। যুক্তরাষ্ট্রের এই
নারী সমপ্রতি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম তুলেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ওজনের
নারী হিসেবে। ২০১২ সালের নতুন
সংস্করণে সগর্বে চলে আসছে তার নাম। আসল
নাম পাওলিন পর্টার। বিশাল ওজনের শরীর
নিয়ে পাওলিনের সমস্যাও অনেক। একার
চেষ্টায় তিনি গোসল করতে পারেন না। যেতে পারেন না শপিংমলে। সব কাজেই
সহায়তা নিতে হয় একমাত্র ছেলে ডিলানের।
১৭ বছরের ছেলে ডিলান তার
মাকে বিছানা থেকে তুলে চেয়ারে বসায়।
এরপর মোটর হুইল
চেয়ারে বসিয়ে মাকে বাইরে নিয়ে যায়। পাওলির এই একমাত্র ছেলেই দিন-রাত
ট্রলিতে খাবার সাজিয়ে দেয়। দিনের
শুরুতে ব্রেকফাস্টে পাওলির লাগে এক ডজন
ডিম, দুই কেজি মাংসের চপ, চার টুকরা আলু
দিয়ে তৈরি হ্যাশ ব্রাউন, বড় ১০
টুকরা মাখন-পাউরুটি, আধা লিটার আইসক্রিম আর লিটারখানেক মিল্ক শেক। এই তো গেল
সকালের নাশতা। খাওয়া-
দাওয়া নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
উত্তরে পাওলি বলেন, ব্রেকফাস্টে এ আর
তেমনকি! পরিমাণটা যা একটু বেশি। সাধারণ
মার্কিন পরিবারে ১০ জন এটা দিয়ে ব্রেকফাস্ট করতে পারেন, এই যা।
এরপর রয়েছে দুপুরের খাবার। কিন্তু দুপুরের
খাবার সম্পর্কে ধারণা দিতে নারাজ তিনি।
তার মতে, অন্য কেউ এ গোপন ফর্মুলা পেলে খুব
শিগগিরই তার বিশ্ব রেকর্ড
ভেঙে ফেলতে পারেন। তবে রাতের খাবারের কথা তিনি নিজেই অকোপটে স্বীকার করেন।
তিনি জানান, রাতে আটটি পিত্জা, বড় এক
বাটি পেস্তা বাদাম আর এক কেজি মাংস
খান। অতিরিক্ত ওজনের কারণেই
স্বামী অ্যালেক্সের সঙ্গে সমপ্রতি বিচ্ছেদ
ঘটেছে তার। পাওলিনের একটা বিষয়ে আক্ষেপ রয়ে গেছে। কারণ ওজন
বাড়িয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডসে উঠতে চেয়েছিলেন অ্যালেক্সের
অনুরোধে। অথচ তিনিই
কিনা পাওলিনকে ত্যাগ করলেন। বিয়ের সময় অ্যালেক্সের ওজন ছিল ৭০
কিলোগ্রামের কিছু কম। আর পাওলিন ছিলেন
২৭৩ কিলোগ্রামের। পরে বিশালাকার ভুঁড়ির
জন্যই অ্যালেক্সের সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে।
কিন্তু তাদের ছেলে ডিলন অবশ্য
কোনো অবস্থায়ই মাকে ছাড়তে নারাজ। সে মায়ের সঙ্গেই রয়ে গেছে।
একদিকে কলেজের পড়াশোনা, তার
মধ্যে মায়ের স্বাস্থ্যরক্ষা��"এ নিয়ে দারুণ
চিন্তিত ১৭ বছরের ডিলান। পাওলিনের
রেকর্ড
ভাঙবে বলে সমপ্রতি অ্যারিজোনা রাজ্যের সুজান ইমেন নামে ৩২ বছরের এক
তরুণী উঠে পড়ে লেগেছেন। দিনে ২০ হাজার
ক্যালোরিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শুরু করেছেন
তিনি। তবে তাতে আদৌ চিন্তিত নন পাওলিন।
তিনি এখন ওজন কমিয়ে সুস্থ-স্বাভাবিক
জীবনে ফিরতে চান। রেকর্ড হয়ে যাওয়ায় ওজন বাড়ানো নিয়ে আর পাওলিনের আগ্রহ
নেই।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা বিড়াল

Leave a Comment


অনেক খবরের পর এবার এসেছে বিড়ালের
খবর। এবার পৃথিবীর দীর্ঘতম বিড়াল
হিসেবে গিনেস রেকর্ড এর মুকুট
পড়লো ‘স্টিউয়ি’ নামের এক বিড়াল।
মেনি প্রজাতির এই বিড়ালের দৈঘ্য ৪৮.৫
ইঞ্চি। ‘স্টিউয়ি’ নামের এই বিড়ালের মালিক যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা রাজ্যের
হেন্ড্রিকসন ব্রান্ডনেস। তিনি বলেন, আজ
থেকে তিন বছর আগেই স্টিউয়ির লম্বা আকার
আমাদের চোখে পড়ে। তাকে সবাই আশ্চর্য
হয়ে বলতো ‘কত লম্বা` বিড়াল’। কিন্তু
আমরা তা নিয়ে চিন্তা করতাম না। এর আগে গিনেস বুক দীর্ঘতম বিড়ালের রেকর্ড
ছিল ৪৮ ইঞ্চি। যা স্টিউয়ি এর চেয়ে ০.৫
ইঞ্চি কম।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোরআন

Leave a Comment


ইরাকের বাগদাদ ইউনিভার্সিটির চারুকলা বিভাগের স্নাতকধারী হুসেইন আল-খারসান। ২৫ বছর বয়সের টগবগে তরুণ। হাঁটুগেঁড়ে বিশাল একটি পৃষ্ঠার ওপর বসে একটি ঐতিহ্যবাহী কাঠ ও পালকের কলমে অক্লান্তভাবে লিখে চলেছেন পবিত্র কোরআনের একেকটি আয়াত। চোখ জুড়ানো প্রতিটি অক্ষর। এ খবর দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, খারসানের লক্ষ্য বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম
কোরআনের প্রতিলিপি তৈরি করা। স্বপ্ন দেখছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখানোর। আর তাই রাত-দিন খেটে লিখে চলেছেন তিনি। খারসান বললেন, কোরআনের এ প্রতিলিপিটি হবে সাড়ে ৫ হাজার মিটার থেকে ৬ হাজার মিটারের মধ্যে বা ৩ দশমিক ৪ মাইল থেকে ৩ দশমিক ৭ মাইল পর্যন্ত দীর্ঘ। (০৬-০৫-২০১২) এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত দিন পাঠকের মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত
ব্যক্তিগত মতামত। পাঠকের মন্তব্যের
জন্য সম্পাদক দায়ী নয়।
অব্যশ্য তার নাম উঠে গেছে ওয়াল্ড রেকড এ।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>নেকড়ে কণ্যা

Leave a Comment


নেকড়ে কন্যা বা বাঁদরমুখো বলে কেউ কেউ
তাকে খেপানোর চেষ্টা করলেও বিশ্বের
সবচেয়ে লোমশ বালিকার খেতাব
পেয়ে আনন্দিত ১১ বছরের থাই
কন্যা সুপাত্রা সাসুফান। ব্যাঙ্ককের
বাসিন্দা সুপাত্রা স্কুলে সহপাঠীসহ অন্যদের ঠাট্টা বিদ্রূপ আর তামাশার শিকার
হলেও গিনেস বুকে স্থান পাওয়ায় তার কদর
বেশ বেড়ে গেছে। মুখসহ শরীরের এ
অনাকাঙ্ক্ষিত লোমের কারণেই গিনেস বুক
কর্তৃপক্ষ
তাকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সুপাত্রা বলেছেন, গিনেস বুকে স্থান
পেয়ে আমি খুবই আনন্দিত। পৃথিবীর অনেক
মানুষ গিনেস বুকে স্থান পেতে কত কিছুই
না করে থাকে। আমি কেবল তাদেরকে কিছু
প্রশ্নের জবাব দিয়েছি আর তাতেই
তারা আমাকে এ স্বীকৃতি দিয়েছেন। মধ্যযুগ থেকেই হাতেগোনা কয়েকজন হরমোনের
ত্রুটির কারণে অ্যাম্ব্রাস সিনড্রোম নামের
বিরল এ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। এ সমস্যার আক্রান্ত ৫০ জনের
মধ্যে সুপাত্রা একজন। এ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক
কারণ জানার আগে একে মানুষ ওয়ারউলফ
(নেকড়ে রূপান্তরিত মানব সন্তান)
বলে অভিহিত করতো। তবে এ রোগে আক্রান্ত
বেশির ভাগ মানুষকে লাঞ্ছনা-গঞ্জনার মধ্য দিয়ে জীবন কাটাতে হলেও
সুপাত্রাকে সমাজের মানুষ ক্রমেই
সাদরে গ্রহণ করছে। সমাজে তার
আলাদা একটা জনপ্রিয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
সুপাত্রা বলেছে, কেউ কেউ
আমাকে আগে বাঁদরমুখো বলে খেপালেও এখন আর খেপায় না। আমি এখন এ অস্থাতেই
থাকতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি। লোমের
কারণে আমি কোন ধরনের সমস্যা বোধ
করি না। তবে এগুলো বড় হয়ে গেলে দেখতে খুব
খারাপ লাগে। আমি মনে করি, একদিন
আমি ভাল হয়ে যাবো। তার বয়সী অন্য শিশুর মতোই সুপাত্রা নাচতে আর সাঁতার
কাটতে ভালবাসে। সংগীত তার খুবই পছন্দ।
সে সব সময়ই তার বন্ধুদের
সঙ্গে খেলতে ভালবাসে।
তবে সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে টেলিভিশনে কার্টুন
দেখতে। সুপাত্রার শরীরের অস্বাভাবিক লোম যাতে কোন ভাবেই তার দৈনন্দিন
জীবনযাত্রাকে ব্যাহত
না করে সে বিষয়ে সে সব সময়ই সচেতন।
সুপাত্রা বলেছে, সব সময়ই সে অঙ্ক কষতে খুব
ভালবাসে। অন্যকে অঙ্ক শেখানোর জন্যই সে এটি খুব
ভালভাবে রপ্ত করতে চাইছে। তবে তার
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হচ্ছে ডাক্তার হওয়া।
অসুস্থদের সেবা করার জন্যই ডাক্তার
হতে ইচ্ছুক সুপাত্রা। তবে সুপাত্রার ভবিষ্যৎ
খুব একটা ইতিবাচক বলে মনে হচ্ছে না। কেন না জন্মের পরপরই তাকে শ্বাস-প্রশ্বাস
স্বাভাবিক করার জন্য দু’বার অপারেশন
টেবিলে যেতে হয়েছে। সুপাত্রার
পিতা সামরুয়েং বলেছেন, জন্মের পরপরই তার
শরীরে বিশেষ অবস্থা লক্ষ্য করেছি। কিন্তু
হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনার পর মেয়েকে নিয়ে নতুন সমস্যায় পড়েছি। লোকজন
তাকে প্রশ্ন করতে শুরু করে কোন পাপের
শাস্তি হিসেবেই ঈশ্বর হয়তো তাকে এ ধরনের
শাস্তি দিচ্ছেন। মেয়ের ভবিষ্যৎ
নিয়ে পিতা চিন্তিত হলেও তার বড়
মেয়ে বিষয়টিকে সমাজে বেশ সহজে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে সফল
হয়েছে। নিজের বয়সী অন্যান্য ছোট শিশুর
মতোই সুপাত্রার অনেক বন্ধু রয়েছে। কিন্তু
তার দাঁত উঠেছে বেশ দেরিতে। এ
ছাড়া চোখেও ভাল দেখতে পায় না। দু’ বছর
বয়সে ডাক্তাররা লেজার ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে সুপাত্রার লোম পরিষ্কার করার
চেষ্টা করেছে। কিন্তু লোম পরিষ্কার করার
পরপরই দ্রুত আরও ঘন হয়ে গজিয়ে ওঠে। লোম
বেশি লম্বা হয়ে গেলে মা সাম্ফনই
সেগুলো ছেঁটে ছোট করে দেন। বড়দের শ্যাম্পু
সহ্য না হওয়ায় ছোটদের শাম্পু ব্যবহার করে সুপাত্রা তার লোম পরিষ্কার করে থাকে।
সামেরুয়েং বলেছেন, আমরা আশায় আছি একদিন
সুপাত্রা ভাল হয়ে যাবে। তার সেরে ওঠার
জন্য আমরা সাধ্যমতো সব কিছুই করবো।
Read More...

Tuesday, May 29, 2012

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>কথার রানী

Leave a Comment


মেয়েরা নাকি কথা একটু বেশিই
বলে! কিন্তু 'কথার রানি' অবলীলায়
হারিয়ে দেবেন তাবৎ
নারী জাতিকে। ফ্রান ক্যাপো ৫৪
দশমিক ২ সেকেন্ডে বলতে পারেন
৬০৩টি শব্দ। পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত
কথা বলিয়ে নারী হিসেবে এরই
মধ্যে তিনি নাম লিখিয়েছেন
রেকর্ড বইয়ে। কত দ্রুত
কথা বলেন_হিসাব কষেছে গিনেস
বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস_গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ফ্রান
বলতে পারেন ১১টি শব্দ!
অন্য রকমের এই ক্ষমতার জোরে আজ
পর্যন্ত হাজির হয়েছেন ২৫০টিরও
বেশি টিভি অনুষ্ঠানে। অংশ
নিয়েছেন এক হাজারেরও বেশি রেডিও অনুষ্ঠানে। কত
ইন্টারভিউ যে দিয়েছেন,
ইয়ত্তা নেই। মজার ব্যাপার হলো,
যে বিশ্বরেকর্ডের জন্য এত
খ্যাতি লাভ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের
নিউ ইয়র্ক শহরের ফ্রান, সেটি তাঁকে গড়তে হয়েছে দু-দুবার।
১৯৮৯ সালে সরাসরি সম্প্রচারিত
একটি টিভি অনুষ্ঠানে রেকর্ড
গড়েন এক মিনিটে ৫৮৫টি শব্দ
বলে। রেকর্ডটি ভেঙে গেলে পরের
বছরের ৫ জুন লাস ভেগাসের গিনেস মিউজিয়ামে ৫৪ দশমিক ২
সেকেন্ডে টানা বলে যান
৬০৩টি শব্দ। এক যুগ
ধরে সেটি নিজের দখলে রেখেছেন
দুঃসাহসী এই নারী।
রোমাঞ্চের প্রতি অসীম আগ্রহ ছেলেবেলা থেকেই। চড়েছেন
কিলিমানজারো পর্বতে, রাত
কাটিয়েছেন বরফের হোটেলে,
সাঁতার কেটেছেন হাঙরের সঙ্গে,
হানা দিয়েছেন শ্বেত ভল্লুকের
গুহায়! চালিয়েছেন রেসিং কার_যুদ্ধবিমান।
অভিজ্ঞতার ঝুলি যাঁর এত সমৃদ্ধ,
বলার জন্য বিষয়ের অভাব হওয়ার
কথা না কোনো দিনই। ঠিক সেটাই
ঘটেছে ফ্রানের বেলায়। সুযোগ
পেলেই হলো। টানা বকে যান নিজের জীবনের গল্প। তবে তখন
যে শ্রোতার কানের
পোকাগুলো পর্যন্তও
ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি বলতে থাকে,
সেদিকে কোনো খেয়াল
থাকে ফ্রানের?
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>সবচেয়ে বড় কুকুর

Leave a Comment


কোন কুকুর যদি ঘোড়ার মতো বিশাল হয়!
মনে করো সে এক ইয়া মস্তো বিশাল কুকুর, তার
বাঘের মতো বড় বড় থাবা আর এত্তো বড় বড়
সিংহের চেয়েও বড়ো লম্বা দাঁত! নিশ্চয়
বলবে, যাহ্ তাই আবার হয় নাকি! কিন্তু
আসলেও যে তাই। এমনই একটি কুকুর হচ্ছে জর্জ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকডর্স
তাকে পৃথিবীর সবচে বড় কুকুর বলে ঘোষণাও
দিয়ে দিলো সেদিন। এমনি এমনি তো আর
দেয়নি, জর্জ যে মানুষের চেয়েও লম্বা!
জানতে ইচ্ছে হচ্ছে জর্জ কতোটা লম্বা, তাই
না? মাটি থেকে ও প্রায় ৩ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা!
আর মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত - প্রায় ৭ ফুট ৪
ইঞ্চি। এখন মেপে দেখো তো তোমার
আশেপাশের
সবচে লম্বা মানুষটা মাথা থেকে পা পর্যন্ত কতোটা লম্বা। ৭ ফুট লম্বা মানুষই
তো খুঁজে পাবে না। বুঝতেই পারছো কিরকম
বড়ো সড়ো এই জর্জ। ভাবছো অনেক
বুড়ো হয়েছে বলেই বুঝি এতোটা বড়
হয়েছে জর্জ তাই কি? না, জর্জের বয়স
তো মাত্র ৪ বছর চলছে! ৪ বছর বয়সেই জর্জের দেহ এতো বড়। ভাবা যায়! ওর থাবা কত বড় হতে পারে? আন্দাজ করো তো,
মানুষের হাতের মুঠোর সমান!
চিন্তা করে দেখো, একটা কুকুরের
থাবা যদি বড় মানুষের হাতের মুঠোর সমান
হয়, সে কুকুর দেখে কে না ভয় পাবে! জর্জ নামের এই বিশাল দেহের কুকুরটির
গর্বিত মালিক হচ্ছেন দু’জন- ডেভিড নাসের
আর ক্রিস্টিন নাসের। মার্কিন মুলুকের
অ্যারিজোনা রাজ্যের তুসকানের রাস্তায়
তারা যখন জর্জকে নিয়ে ঘুরতে বের হন, তখন
কি মজাটাই না হয়। ঘোড়ার মতো ইয়া মস্তো বড় এক কুকুর
নিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন দুজন। ওদের
চেয়ে দেখতে কিন্তু জর্জকেই তখন বেশি বড়
মনে হয়। কি দারুণ দৃশ্য, তাই না? ডেভিড আর ক্রিস্টিন মাত্র ৭ মাস বয়স
থেকে এই জর্জকে খাইয়ে দাইয়ে বড়
করে তুলেছেন। তখন কিন্তু ওরা ঘুণাক্ষরেও
ভাবেন নি যে জর্জ একদিন এতো বিশাল
হয়ে উঠবে। বয়সের তুলনায় ও অন্য কুকুরদের
চেয়ে অনেক বেশি বড়ই হয়ে উঠতে থাকে। আর এক সময় দেখা যায় যে, আশে পাশের
যে কোনো কুকুরই তার কাছে একবারে লিলিপুট।
আর এখন তো গিনেস বুকই জানিয়ে দিয়েছে যে,
পৃথিবীর সবচে বড় কুকুর হলো জর্জ। জর্জের মালিক হয়ে ডেভিড আর ক্রিস্টিনের
কিন্তু ভোগান্তিও কম নয়। একবার
চিন্তা করে দেখো, এতো বড়ো শরীর যার তার
জন্য রোজ কি পরিমাণ খাবারের দরকার পড়ে।
শুধু কি খাওয়া-দাওয়া? থাকার জন্যও তো ওর
একটা বিশাল জায়গাই লাগে তাই না? জর্জের ঘুমানোর জন্য তো আলাদা খাটেরই
ব্যবস্থা করতে হয়েছে। তবুও
ওরা জর্জকে নিয়ে মহাখুশি। পৃথিবীর
সবচে বড় কুকুরের মালিক বলে কথা।
সমস্যা হলো, কেউই আদর
করে জর্জকে কোলে নিতে পারে না। এতো বড়ো কুকুরকে কোলে নিতে হলে তো রীতিমতো শক্তিশালী পালোয়ানই
হতে হবে। একবার জর্জকে কোলে নেবার
চেষ্টা করতে যাবে নাকি? জর্জ যে শুধু বিশাল তাই নয়, ইতিমধ্যে বেশ
বিখ্যাতও হয়ে গেছে সে। ওর ভক্তদের জন্য
এরিমধ্যে ফেসবুকে আলাদা পেজও
খোলা হয়েছে। তুমি চাইলে সেখানে অংশ
নিয়ে ওর ভক্তও হয়ে যেতে পারো।
জর্জই এখন পৃথিবীর সবচে বড় কুকুর। কিন্তু যার রেকর্ড ভেঙে জর্জ গিনেসে এই
রেকর্ডটি করেছে তার নাম জানো? তার নাম
হচ্ছে- টাইটান। টাইটানের চেয়ে জর্জ
মাত্র ০.৭৫ ইঞ্চি লম্বা। এ নিয়ে ঝামেলাও
অবশ্য কম হয়নি। শেষে গিনেস ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডসের বিচারকরা এসে মেপেটেপে রায় দিয়েছেন যে, আর গোলমাল নয়, জর্জই
হচ্ছে পৃথিবীর সবচে বড় কুকুর। এতক্ষণ ধরে এই এত্তো বড় কুকুরের কথা শুনে ভয়
পেয়েছো নাকি? ভয় পাওয়ার আসলে তেমন
কিছুই নেই। আর জর্জ একবারেই কোনো ভয়ানক
ধরনের কুকুর নয়। ও খুবই ভালো একটা কুকুর।
জর্জ নাকি কাউকে কামড়ও দেয় না। আর মজার
ব্যাপার হলো চেষ্টা করলেও তো তোমাকে কামড়াতে পারবে না। কারণ জর্জ
তো আর তোমার আশেপাশে থাকে না।
সে থাকে সেই আমেরিকার
অ্যারিজোনা রাজ্যের তুসকানে। তবে তোমার
বাসা যদি সেখানে হয়ে থাকে,
সেক্ষেত্রে অবশ্য বিষয়টি একটু চিন্তারই।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>চুলের বাহার

Leave a Comment

প্রাচীনকাল থেকেই নারীর চুলের
নানা উপমা দিয়েছেন কবি-
সাহিত্যিকরা। তাঁরা চীনের
জি কুইপিংয়ের চুল দেখলে কী বলতেন?
তাঁর চুল যে অনেক লম্বা!
মেপে দেখা গেল, এমন দীঘল কেশ বিশ্বের আর কোনো নারীর নেই। লম্বায়
প্রায় সাড়ে ১৮ ফুট!
লম্বা চুলের শখ অনেক চীনা নারীরই
আছে। পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা চুলের
অধিকারীর সংখ্যাও সেখানে অনেক।
তাই রেকর্ডধারীর বাস যে সেখানেই
হবে, তা তো জানা কথা।
গুয়াংজি প্রদেশের জি কুইপিংয়ের চুলের দৈর্ঘ্য কাঁটায় কাঁটায় ১৮ দশমিক ৫৫
ফুট। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডসে উঠেছে তাঁর নাম। ১৯৭৩
সালে বয়স যখন ১৩, তখন থেকেই চুল বড়
করতে শুরু করেন তিনি। ২০০৪ সালেই
নাম উঠে যায় রেকর্ডের খাতায়। চুল এত লম্বা হওয়ার পরেও তা যথেষ্ট সুন্দর ও
পরিষ্কার রেখেছেন জি কুইপিং।
জানালেন, এত লম্বা চুলের যত্ন
নিতে অনেক সময় চলে যায়। এর জন্য
রীতিমতো সহকারীর প্রয়োজন পড়ে। ৩০
বছর ধরে বাড়ছে তাঁর চুল। আর তাই হাঁটাচলার সময়ও এতটা দিন বেশ
ঝামেলা পোহাতে হয়েছে কুইপিংকে।
কিন্তু রেকর্ডের কাছে তো তা নস্যি।
এখন রাস্তায় বের হলে তাঁর চুল
বয়ে বেড়ায় এক সহকারী!
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বাংলাদেশেরখুদে বিজ্ঞানী মুহীত

Leave a Comment
বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার মাত্র ১৩
বছর বয়সের একটি ছেলে যার নাম ফারহান
বিন মুহীত। এত অল্প বয়সেই তার
উদ্বাবনী কৃতিত্বের জন্য এবার সে সম্মানিত
হয়েছে নিজের নাম গিনেস বুক অব
ওয়াল্র্ডে উঠিয়ে। বিশ্ব সেরা হিসেবে এটা তার জন্য এক অমূল্য
পুরস্কার। সত্যিই এ প্রাপ্তিযোগ তার জীবন
চলার
পথে তাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে নতুন কিছু
করার উদ্দীপনায়। মুহীত ১৪ মার্চ
রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে সর্বকণিষ্ঠদের
মধ্যে তার কর্মের জন্য সেরা নির্বাচিত হয়।
এ অলিম্পিয়াডে ১৯৪টি দেশের ২০০
শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর আগে মুহীত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক
অলিম্পিয়াড-২০১১-তেও প্রথম হয়েছিল। মুহীত এ সম্মান অর্জনের
প্রতি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছে,
ভবিষ্যতেও সে তার এ সাফল্যের
ধারাকে ধরে রাখার চেষ্টা অব্যাহত
রাখবে।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>পপ সম্রাট মাইকেল জেকশান এর মূর্তি

Leave a Comment

পপসম্রাট বলেই বিশ্বের
কোটি কোটি দর্শকের কাছে পরিচিত
তিনি। তার গান,
গায়কি ভঙ্গি এবং নৃত্য দেখে মুগ্ধ
হননি, এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
তার গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হলেই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ
হুমড়ি খেয়ে পড়ত তা সংগ্রহের জন্য।
পাঠক, ইতিমধ্যে নিশ্চয়
ধরতে পেরেছেন বিখ্যাত এই
সঙ্গীতশিল্পীর নাম মাইকেল
জ্যাকসন। কৃষ্ণাঙ্গ এই সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন অসংখ্য তরুণের
আদর্শ। জীবিতকালে বিশ্বজুড়ে যেমন
তার জনপ্রিয়তা ছিল আকাশসমান,
মৃত্যুর পরও ছিল একই ধারায়
তা বহমান। জনপ্রিয়তায় একটুও
ভাটা পড়েনি মাইকেলের। তাই তো ভক্তকুল তাকে আজও স্মরণ
করে নানাভাবে। তাকে অবলম্বন
করে নতুন কোনো রেকর্ড গড়ার
কাজে আবার লিপ্তও অনেকে। গত ২৮
জুলাই এই পপসম্রাটের বিশাল
প্রতিমূর্তি গড়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম অন্তর্ভুক্ত
করার আবেদন জানিয়েছেন ভারতের
তামিলনাড়ূ রাজ্যের আর চন্দ্র
সেকারন। ধূসর বর্ণের দামি পাথর
দিয়ে তৈরি মাইকেল জ্যাকসনের এই
প্রতিমূর্তিটির উচ্চতা বারো ফুট। আর এটির ওজন সাড়ে তিন টন!
ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বের অন্য
কোথাও দামি পাথর দিয়ে জ্যাকসনের
এত বড় প্রতিমূর্তি আর
তৈরি করা হয়নি।
আর চন্দ্র সেকারন মূলত তামিলনাড়ূর ধূসর বর্ণের দামি পাথর ব্যবসায়ী।
ছিলেন মাইকেল জ্যাকসনের
অসাধারণ ভক্ত। জ্যাকসনের মৃত্যুর
খবর শুনে বিশ্বের
কোটি কোটি ভক্তের মতো তার হৃদয়ও
ব্যথায় ভরে ওঠে। দীর্ঘদিন হলো তিনি ভাবছিলেন, পপসম্রাটের
জন্য ব্যতিক্রমী কিছু করতে। হঠাৎ
তার মাথায় আসে, পাথরের
মূর্তি গড়েও জ্যাকসনকে স্মরণ
করা যায়। এর সঙ্গে তার নামটাও
ছড়িয়ে পড়বে সারাবিশ্বে। ভাবনা অনুযায়ী চুপিচুপি তিনি কাজও
শুরু করেন। ক্রমে সংগ্রহ
করতে থাকেন পাথর। দিনরাত
মিলে মাত্র ছয় ঘণ্টা করে অক্লান্ত
পরিশ্রমের ফলে পঁয়তালি্লশ দিনের
মাথায় দাঁড়িয়ে যায় মূর্তিটি। তবে এই প্রতিমূর্তিটি গড়তে নিজের
গাঁটের পয়সা মোটেও খরচ
করতে হয়নি সেকারনের। পুরো খরচ
বহন করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার
পুরনো ধাঁচের গানের জনপ্রিয় গায়ক
নেভারল্যান্ড ভ্যালি রেঞ্চ। সেকারনের প্রত্যক্ষ
তত্ত্বাবধানে তৈরি মাইকেল
জ্যাকসনের এই প্রতিমূর্তিটির
কথা ইতিমধ্যে ইন্ডিয়া বুক অব
রেকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
লিমকা বুক অব রেকর্ডসেও অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
হয়তো গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডসেও অন্তর্ভুক্ত হবে মূর্তিটি।
আর এভাবেই যুগ যুগ ধরে ভক্তদের
হৃদয়ে আজীবন বেঁচে থাকবেন
পপসম্রাট মাইকেল জ্যাকসন।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহিলা

Leave a Comment

বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় নারীভারতের
শিক্ষার্থী জ্যোতি আমগে বিশ্বের
সবচেয়ে খর্বাকৃতির নারীর খেতাব
পেয়েছেন। তাঁর উচ্চতা ৬২ দশমিক ৮
সেন্টিমিটার (দুই ফুট সাত ইঞ্চি)। গতকাল
শুক্রবার গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ কথা নিশ্চিত করেছে।
নাগপুরে পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের
সঙ্গে ১৮তম জন্মদিন উদ্যাপনের পর
আমগেকে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় নারীর
খেতাব দেওয়া হয়। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড
রেকর্ডসের বিচারক রব মলয় বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমাদের
উপস্থিতিতে চিকিৎসক ২৪ ঘণ্টার
মধ্যে আমগের উচ্চতা তিনবার মেপেছেন।
তবে সামান্য তারতম্য হওয়ায় আমরা গড়
উচ্চতাকেই গ্রহণ করেছি।’ সবচেয়ে খর্বাকৃতির নারী নির্বাচিত
হওয়ার পর আমগেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ
দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর বাবা কিষান ও
মা রঞ্জনা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী লাল
শাড়ি পরা আমগে বলেন, ‘সনদ পেয়ে আমি খুব আনন্দিত।’ রব মলয় বলেন,
‘এটি প্রতীকী রেকর্ড।’
আমগের উচ্চতা চার মাসের কন্যাসন্তানদের
গড় উচ্চতার সমান। তিনি বলিউডের
অভিনেত্রী হতে চান বলে তাঁর
বাবা জানিয়েছেন। এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় নারীর
খেতাব ছিল ব্রিজেত জর্ডানের। তাঁর
বাড়ি যুক্তরাজ্যের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে।
জর্ডানের উচ্চতা ৬৯ দশমিক ৪৯
সেন্টিমিটার।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গাড়ি

Leave a Comment

শাম্মী শিল্পী তুলতুল এই পৃথিবীতে মানুষের অসাধ্য কিছুই নেই, এই কথাটি আসলেই সত্যিই। মানুষ তার চিন্তা, মেধাকে কাজে লাগিয়ে অসাধ্যকে সাধন করে যাচ্ছেন একের পর এক। তেমনি ব্রিটেনের বাকিংহাম শায়ারের অধিবাসী ৪৭ বছর বয়সী পেরিওয়াট কিংস একটি ছোট্ট গাড়ি বানিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন। যার নাম তিনি রাখেন উইন্ড আপ। এর উচ্চতা ৪১, দৈর্ঘ্য ৫১ আর প্রস্থ ২৬ ইঞ্চি। ‘উইন্ড আপ’ পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্র গাড়ি হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। রাস্তায় চলার অনুমতিও পায় এই ক্ষুদ্র গাড়িটি। পেরি ওয়াটকিংস ছোট এই গাড়ির বাইরের অংশের জন্য পয়সা দিয়ে চালানো বাচ্চাদের খেলনা গাড়ির মডেল অনুকরণ করেছেন। গাড়ির চাকা হিসেবে লাগানো হয় হোন্ডা মানকি মোটর সাইকেলে ব্যবহৃত চাকা। গাড়িটির জন্য পেরি ব্যবহার করেছেন ১৫০ সিসি ইঞ্জিন। ক্ষুদ্র এই গাড়িটি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ মাইল বেগে চলতে পারে। অন্য সব গাড়ির মত এই গাড়িতে রয়েছে আয়না, হেডলাইট, স্টিবেল্টের মত আরো প্রয়োজনীয় জিনিস। গাড়ির মালিক ও চালক পেরি জানান গাড়িটি দেখলে মানুষ প্রথমে অবাক দৃষ্টিতে তাকাত। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তারা হেসে উঠে বলত এত ছোট গাড়ি। জানা যায় গাড়ির প্রতি আকর্ষণ সব সময় ছিল পেরির। এর আগেও পেরির নাম উঠেছিল গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড এ পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু ছাদের গাড়ি তৈরির জন্য। সেই গাড়ির নাম ছিল ‘ফ্ল্যাট মবিল’। এটি পেরির দেওয়া নাম ছিল|
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকার মানব

Leave a Comment

উচ্চতায়
খাটো হলে কি হবে,
খ্যাতিতে মাত্র
২২
ইঞ্চি উচ্চতার
চন্দ্র বাহাদুর
ডাঙ্গি (৭২)
সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন।
কারণ, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস তাকে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বকায় মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চলেছে। নেপালের একটি ছোট গ্রামের বাসিন্দা ডাঙ্গি। ৬ ভাই আর ২ বোনের মধ্যে সপ্তম তিনি। ছেলেবেলায় হারিয়েছেন পিতা-মাতাকে। বড় ভাই তাদের আগলে রেখেছেন। ডাঙ্গির পরিবার যারপরনাই উচ্ছ্বসিত। এরই মধ্যে রাজধানী কাঠমুন্ডুতে পৌঁছে গেছেন ডাঙ্গি। সেখানেই গিনেস কর্তৃপক্ষ তার উচ্চতা মাপবেন। ঐতিহ্যবাহী নেপালি হ্যাট
মাথায় দিয়ে আর দর্জির কাছ থেকে বিশেষ অর্ডারে বানানো পোশাক পরে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন তিনি। সেখানে তিনি টেলিভিশন দেখে সময় কাটাচ্ছেন এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের কর্মকর্তাদের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
দাঙ্গি জানান, সাত ভাই-বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তাঁর পাঁচ ভাইয়ের তিনজনের উচ্চতা চার ফুটেরও কম। তবে দুই ভাই ও দুই বোনের উচ্চতা স্বাভাবিক। তিনি আরও জানান, তাঁর উচ্চতা স্বাভাবিকভাবেই এ রকম। তিনি জীবনে কখনো ওষুধ সেবন করেননি এবং চিকিত্সকের কাছেও যাননি। দাঙ্গি একবার ঠান্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে পারিবারিক চিকিত্সাতেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
এর আগে তিনি কেন রেকর্ড নিয়ে সোচ্চার হননি, এ প্রশ্নের জবাবে দাঙ্গি বলেন, তিনি ও তাঁর পরিবার রেকর্ডের বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। কারণ তাঁরা খুব বেশি শিক্ষিত নন।
কাল গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস পরিমাপ কাজ শেষ করলে দাঙ্গি হবেন বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতি মানুষ। দাঙ্গি তাঁর অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকৃতি মানুষের খেতাব পেলে তিনি খুব খুশি হবেন। দাঙ্গি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ ও সেখানকার মানুষের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।এদিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডাঙ্গির উচ্চতা ঠিক থাকলে, তিনি ফিলিপিনো জুনরে বলউয়িংকে পেছনে ফেলবেন।
জুনরেই মাত্র ২৩ দশমিক ৫ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে খাটো মানুষের খেতাবের অধিকারী।
গত বছরই জুনরে ২৬ ইঞ্চি উচ্চতার খগেন্দ্র থাপার (১৮) কাছ থেকে খর্বকায় মানুষের খেতাবটি জিতেছিলেন। এদিকে ডাঙ্গি অধীর
হয়ে রয়েছেন সেই মাহেন্দ্রক্ষণের আশায়।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>হাতে ও পায়ে 26 টি আঙুল

Leave a Comment

অন্য
কেউ
হলে নির্ঘাত
দুঃখ
কিংবা হতাশা প্রকাশ
করত। কিন্তু
হারাম্ব
অশোক
কুমথেকার
বরং গর্ব
বোধই করছেন। দুই হাতে ছয়টি করে ১২টি আঙুল এবং দুই পায়ে সাতটি করে ১৪টি আঙুল নিয়ে কোনো হতাশা নেই তাঁর। ২৪ বছরের এই ভারতীয় যুবক তাঁর বাড়তি আঙুলের বিষয়টি ভালোভাবেই গ্রহণ করেছেন। জন্ম থেকেই অশোকের হাত ও পায়ে ছয়টি আঙুল বেশি।
হাতে ও পায়ে আঙুলের সংখ্যায় অশোক সবার চেয়ে এগিয়ে ঠিকই, কিন্তু তিনি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে এখনো নাম লেখাতে পারেননি। কারণ, তাঁর সব আঙুল আলাদা নয়, বেশ কয়েকটি জোড়া লাগানো। এ কারণেই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আঙুলের সংখ্যায় এখন পর্যন্ত শীর্ষ স্থানটি ধরে রেখেছেন তাঁরই স্বদেশি দেবেন্দ্র হার্ন। দেবেন্দ্রের দুই হাতে ১২টি এবং দুই পায়ে ১৩টি আঙুল রয়েছে। তাঁর সবগুলো আঙুলই আলাদা।
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অশোক নাম লেখাতে না পারলেও লিমকা বুক অব রেকর্ডসে ঠিকই তাঁর নাম উঠেছে। লিমকা বুক অব রেকর্ডসকে ভারতের গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বলা হয়।
বাড়তি আঙুলের জন্য অশোক গর্ব বোধ করলেও মাঝেমধ্যে অস্বস্তি বোধ করেন। তিনি স্বীকার করেছেন, অতিরিক্ত আঙুলের কারণে তিনি ঠিকমতো হাতে দস্তানা এবং পায়ে জুতা পরতে পারেন
না।
এমনকি আঙুলগুলো তিনি ঠিকমতো নড়াচড়াও করতে পারেন না। ব্যবসাশিক্ষায় স্নাতক সম্পন্ন করেছেন অশোক।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে শক্তি শালী বালক

Leave a Comment

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বালক সাত বছর বয়সী গিউলিয়ানো স্ট্র। বোতলের ওপর শরীরের ভারসাম্য রেখে এ রেকর্ড গড়েছে সে। সবুজ রঙের চারটি কাচের বোতলের ওপর হাত ও পা রেখে পুরো শরীর শূন্যে উত্তোলন করেছে রোমানিয়ার এই বিস্ময় বালক। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে ‘বিশ্বের শক্তিশালী বালক ’ হিসেবে ইতিমধ্যেই তার নাম উঠেছে। ২০০৯ সালে প্রি -স্কুল ছাত্রদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার সুবাদে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে শক্তিধর শিশুর খেতাব পায় সে। খেলায় ভারি একটি বল পায়ে নিয়ে হাতে ভর দিয়ে ১০ মিটার দৌড়াতে হয়েছিল। আপলোড করার প্রথম চার দিনে ভিডিওটি ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬২২ বার দেখা হয়েছে। গিউলিয়ানো স্ট্রোয়ে , বয়স মাত্র সাত। কিন্তু এরই মধ্যে তার নাম উঠে গেছে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ‘শক্তিমান বালক ’ হিসেবে ! কী করেছে সে ? তা ইউটিউবে গিয়ে ‘কিডস ডাজ পুশ আপস অন গ্লাস বোটলস ’ লিখে সার্চ দিলেই দেখা যাবে। দেখা যাবে , লিকলিকে এক ছেলে চারটা কাচের বোতলের ওপর ভর করে মাটি থেকে এক ফুট ওপরে উঠে পুশ-আপ করছে। তা -ও একটা বা দুটি নয়, পুরো ১২টি পুশ আপ, যা অনেক বিশালদেহী পালোয়ানরাও করতে পারে না। তবে এটাই গিউলিয়োনোর প্রথম ওয়ার্ল্ড রেকর্ড নয়। এর আগে , ২০০৯ সালে সে দুই পায়ের মাঝে বল নিয়ে হাত দিয়ে হেঁটে বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছিল পালোয়ান কাকে বলে ! গিউলিয়ানোর বাবা ইউলিয়ান স্ট্রোয়ে বলেন , ‘ছোটবেলা থেকেই গিউলিয়ানোর শরীরচর্চা এবং জিমে যাওয়ার প্রতি এক ধরনের নেশা ছিল। আমিও তাকে কখনো না করতাম না। সব সময় তাকে জিমে নিয়ে যেতাম। সে খেলতে খেলতেই এক সময় পুশ আপ করা শিখে যায় এবং একদিন হঠাৎ সে আমাকে এই বোতলে পুশ-আপ করে দেখায় , যা প্রথমে দেখে আমি ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু পরে বুঝতে পেরেছি , এটা আসলে তার একটা মেধা। ’ আপলোড হওয়ার পর গিউলিয়ানোর এই ভিডিওটি এরই মধ্যে এক লাখ ৮২ হাজার ৯০৮ জন দেখে ফেলেছে। গিউলিয়ানোও এটা জেনে বেশ খুশি। সে এভাবেই সবসময় তার পালোয়ানি কর্মকা - গুলো নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চায় এবং চায় বড় হয়ে সে হবে একটা জিমের মালিক।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বাংলাদেশের হালিম

Leave a Comment

দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নিয়েছেন আবদুল হালিম। এর আগে সবচেয়ে বেশিবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় এই গৌরব অর্জন করেছিলেন টেবিল টেনিসের জোবেরা রহমান লিনু। মাথায় বল নিয়ে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রমের রেকর্ডধারীর স্বীকৃতি পেয়েছেন হালিম।
গত ২২ অক্টোবর বল মাথায় নিয়ে নিজেকে বিশ্বসেরা প্রমাণের পরীক্ষায় নামতে হয় তাঁকে। সেদিন বল মাথায় নিয়ে ১৫.২ কিলোমিটার হেঁটে দেখান
হালিম। মোট ৩৮ ল্যাপে এ দূরত্ব অতিক্রম করে তবেই থেমেছিলেন তিনি।পুরো দৃশ্যই ভিডিওতে ধারণ করে তা পাঠানো হয় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সদর দপ্তরে। তিন মাস অপেক্ষার পর গতকাল হালিম পেয়েছেন কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি। আগে এই রেকর্ডটি ছিল মালয়েশিয়ার ই মিং লোর। ২০০৯ সালের ২১ আগস্ট মাথায় বল নিয়ে ১১ কিলোমিটার ১২৯ মিটার হেঁটেছিলেন তিনি।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা মানব

Leave a Comment

খাটো মানুষকে নানা বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। কিন্তু ভারতের আসাদুল্লাহ খান লম্বা হয়ে পড়েছেন বিড়ম্বনায়। লম্বা হওয়াটা তার জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জামা-জুতা কেনার মতো সমস্যায় আগে থেকেই ছিলেন। মাপমতো খাটও পাওয়া কষ্টকর। কিন্তু এখন তার সবচেয়ে বড় সমস্যা তিনি পাত্রী পাচ্ছেন না। ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি লম্বা ২৪ বছর বয়স্ক আসাদুল্লাহর মর্মবেদনা তাই আরেকটু বেড়েছে।
ভারতের উডিশা রাজ্যের কেন্দ্রপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আসাদুল্লাহ খান বলেন, ‘আমার উচ্চতা এখন অভিশাপ। গাড়ি, বাস বা ট্রেনে কোথাও যেতে পারি না। কোনো সামাজিক উৎসবেও যোগ দিতে পারি না, যেখানেই যাই, অনেক লোক দল বেঁধে ঘিরে ধরে। আমাকে ক্ষ্যাপায়।
তিনি জানান, ‘আমার মা হন্যে হয়ে পাত্রী খুঁজছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না। কেউ আমার মতো লম্বা লোককে বিয়ে করতে চায় না।’
তিনি জানান, তিনি আয়নাতেও নিজের মুখ দেখতে পান না, আয়না ছোট মনে হয়। ‘কারো সাথে হাত মেলাতে হলে আমাকে ঝুঁকতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমার ১৬ ইঞ্চি লম্বা পায়ের জন্য জুতা খুঁজে পাই না। তবে কেন্দ্রপাড়ার এক মুচি সম্প্রতি আমার জন্য একজোড়া জুতা বানিয়ে দিয়েছেন।’
আসাদুল্লাহ জানান, ১৪ বছর বয়স থেকে তার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি শুরু হয়েছে, ২৪ বছর বয়স পর্যন্ত আমি বেড়েছি।’
আসাদুল্লাহদের মূল বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনিপুর জেলায়। পাঁচ বছর আগে তারা উডিশায় পাড়ি জমান। পেশায় রাজমিস্ত্রী।
তিনি জানান, তিন বছর আগে আমার আব্বা ইন্তিকাল করেছেন। ফলে এখন আমাকেই পরিবারের জন্য আয়-উপার্জন করতে হচ্ছে। তিনি জানান, রাজমিস্ত্রির কাজ করে তার দিনে আয় হয় ১৫০ থেকে ২০০ রুপি।
আসাদুল্লাহর অস্বাভাবিক উচ্চতা তার জন্য বেশ লাভজনক বিবেচিত হতো যদি রেকর্ড বইগুলোতে তিনি তার নাম সংযোজন করতে পারতেন। কেন্দ্রপাড়া সিটিজেন ফোরামের আমর বিসওয়াল বলেন, ‘আসাদুল্লাহ সম্ভবত ভারতের দীর্ঘতম জীবিত মানব। তবে সে নিরক্ষর হওয়ায় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।’
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তুরস্কের সুলতান কোসেন এখন বিশ্বের দীর্ঘতম জীবিত মানব। তার উচ্চতা ৮ ফুট ৩ ইঞ্চি|
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>শারজাহ স্টেডিয়াম

Leave a Comment
সবচেয়ে বেশী একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে আয়োজনের স্বীকৃতিস্বরুপ শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। গতকাল রোববার পাকিস্তান বনাম শ্রীলংকার ম্যাচের মধ্য দিয়ে গিনেস বুক শারজাহকে এই
স্বীকৃতি দেয়।
১৯৮০’র দশকের শুরুতে নির্মিত শারজাহ স্টেডিয়ামটি ১৯৮৪-২০০৩ সালের মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচের স্বর্গে পরিনত হয়েছিল। যেকোন দলই এই স্টেডিয়ামে খেলার ব্যপারে আগ্রহী ছিল। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হলে তো কথাই নেই। গতকাল পাকিস্তান- শ্রীলংকার ম্যাচের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এই মাঠে ২০১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সম্পন্ন হলো। যা একদিনের ক্রিকেট ইতিহাসে ভেন্যু হিসেবে এক অনন্য রেকর্ড।
সফরকারী দুটি দেশের ম্যাচে পরে স্টেডিয়ামে গিনেস রেকর্ড বুকের পক্ষ থেকে ভিন শর্মা সংযুক্ত আরব আমিরাতের উচ্চতর শিা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষনা মন্ত্রী এবং এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান শেখ নাহিয়ান বিন মুবারক আল নাহিয়ানের হাতে সম্মাননা সনদ তুলে দেন। স্টেডিয়ামের এই সম্মাননা পুরো সংযুক্ত আরব আমিরাতকে গর্বিত করেছে বলে উল্লেখ করেছেন শেখ নাহিয়ান।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>একটানা 50 ঘন্টা চুম্বন

Leave a Comment

ভ্যালেন্টাইন
ডে এর
দিন
দীর্ঘতম
চুম্বনের রেকর্ড
করে গিনেস
বুক
অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখাল থাইল্যান্ডের এক গে জুটি। দুদিনের বেশি সময় ধরে চলল তাদের চুম্বন। থাইল্যান্ডের পাতায়ায় বিচ টাউনে রবিবার থেকে শুরু হয় কিসিং ম্যারাথন। এই ম্যারাথনের বিজয়ী জুটি ৫০ ঘণ্টা চুম্বন করে ভ্যালেন্টাইন ডে দিন শেষ করে তাদের চুম্বন। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিযোগীরা এক বর্গমিটারের বাইরে যেতে পারেননি। খাবার এবং পানীয় স্ত্র দিয়ে খেতে হয়েছে তাদের। প্রথম ৩ ঘণ্টা বাথরুমে যেতে পারেননি। পরে অবশ্য কেবলমাত্র রেফারির সাহচার্জে বাথরুমে যেতে পারেন। এর আগে দীর্ঘতম চুম্বনের গিনেস রেকর্ড ছিল থাই জুটি লাকানো এবং ইক্কানি তিরানাষ্ট এর দখলে। তারা ২৬ ঘণ্টা ৯ সেকেন্ড একে অপরের মুখে লেগেছিল।
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>রাশিয়ার মসজিদ

Leave a Comment

রাশিয়ার সাত হাজার মসজিদের
মধ্যে একটির জায়গা হয়েছে গিনেস বুক অফ
ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে. নরিলস্ক শহরের মুসলমান
ধর্মোপাসনা ভবন বিশ্বের সবচেয়ে উত্তরের
মসজিদের স্বীকৃতী পেয়েছে. নরিলস্ক শহর উত্তর মেরুর বলয়ের ৩০০
কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত. এই
শিল্পোত্পাদন নগরী এই নগরী তুলনামূলক
ভাবে নবীন – রাশিয়ার মানচিত্রে শহর
হিসাবে পরিচিত ১৯৫৩ সাল থেকে. আজ এই
শহর বিশ্বে মেরু বলয়ের ওপারের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল শহর বলে পরিচিত.
প্রথমটি এই ক্রাসনোইয়ারস্ক রাজ্যেরই
মুরমানস্ক শহর. নরিলস্ক শহরে দুই লক্ষেরও
বেশী মানুষ বাস করেন. তাঁদের প্রায় এক
চতুর্থাংশ – প্রজাতিগত ভাবে মুসলমান.
তাঁদের সকলেই স্থানীয় আদি বাসিন্দা নন. এই বিষয়ে নরিলস্ক শহরের মসজিদের ইমাম –
খাতীব আবদুল্লা- হজরত গালিমভ বলেছেন: “বেশী লোক অবশ্য, বিভিন্ন প্রজাতির
এখানে কাজ করতে আসা লোক. অনেকেই
এখানে এসেছেন ককেশাস থেকে, তাতারস্থান,
বাশকির আর অনেক আজারবাইজান থেকে.
কাজের সন্ধানেই এঁদের সকলের এখানে আসা”. একমাত্র বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায়
রাশিয়ার অন্যান্য জায়গার থেকে যুক্ত
নরিলস্ক শহরে কাজ করার অনেক
জায়গা রয়েছে. এটা রাশিয়ার একটি বড়
শিল্প নগরী: এখানে বিশ্বের সমস্ত নিকেল
উত্পাদনের একের পঞ্চমাংশ করা হয়ে থাকে, আর তরা সঙ্গে রয়েছে তামা, কোবাল্ট, অনেক
মূল্যবান ধাতু. আর নরিলস্ক শহরে প্রথম
দশকে ধর্ম বিশ্বাসী লোকদের নিজেদের
ধর্মীয় আচার পালন করা বেশ সমস্যার বিষয়ই
ছিল. ১৯৯৬ সালে এখানে প্রথম অর্থোডক্স
গির্জা তৈরী করা হয়েছিল, আর তার দুই বছর পরে শহরকে সুন্দর করেছিল একটি পান্না সবুজ
রঙের মসজিদ. গালিমভ বলেছেন: “এই মসজিদ উপর
থেকে দেখলে তারা আকৃতির, এর মিনার – উপর
থেকে দেখলে চার কোনা. প্রার্থনা করার
জায়গা ভিতর গোল, মিনারের উচ্চতা ৩০
মিটার, সব মিলিয়ে মসজিদ তেমন কিছু বড়
নয়, কিন্তু তার ভিতরে দুটি তলা রয়েছে. নীচের
তলা আমরা মাদ্রাসা হিসাবে ব্যবহার
করে থাকি”. এই মসজিদের নিয়মিত
প্রার্থনা করতে আসা লোকরা কৃতজ্ঞতার
সঙ্গে স্মরণ করেন সেই ব্যক্তিকে,
যিনি নরিলস্ক শহরে প্রথম মসজিদ
তৈরী করেছেন: ইনি হলেন মুখতাদ
বেকমেয়েভ, তাতারস্থানের আদি বাসিন্দা. তিনি এমনকি মসজিদের নামও দিয়েছেন –
“নুর্দ- কামাল”, নিজের বাবা নুরুদ্দীন ও
মা গাইনিকামালের স্মৃতির উদ্দেশ্য.
গালিমভ বলেছেন: “নরিলস্ক শহরের আরও অন্যান্য ভবনের
মতই এই বাড়ী তৈরী করা হয়েছে পিলারের
উপরে, তা এই কারণে করা হয়েছে যে,
এখানে মাটির সামান্য
গভীরে রয়েছে চিরন্তন হিম, যা মাটির
গভীরে ৩০০ থেকে ৫০০ মিটার পর্যন্ত নীচে চেলে গিয়েছে. যদি এই জমি আচমকা খুব
গরম কোন গ্রীষ্মকালে গলতে শুরু করে, তবে এই
বাড়ীর ভিত সরতে শুরু কতে পারে, তাই
যাতে বাড়ী অনড় অবস্থায়
দাঁড়িয়ে থাকতে পারে, এই জন্য ভিত
তৈরী করা হয়েছে এই সব পিলারের উপরে, যা মাটিতে গভীরে পুঁতে দেওয়া হয়েছে,
সঠিক করে বললে হিম বরফের মধ্যেই
গভীরে জমিয়ে দেওয়া হয়েছে”. বিশ্বের সবচেয়ে উত্তরের মসজিদের অনেক
গুলি বাইরের আকারে বিশেষত্ব রয়েছে.
যেমন, সাধারণতঃ, মিনার তৈরী করা হয় গোল
চূড়া সমেত, কিন্তু নরিলস্ক
শহরে করতে হয়েছে চৌকো. কারণ – আবারও
সেই উত্তরের প্রাকৃতিক আবহাওয়া: বছরের দুই তৃতীয়াংশ সময়ে এখানে গড়ে মাসিক
তাপমাত্রা থাকে শূন্যের অনেক নীচে,
এমনকি শীতের সময়ে তা সবচেয়ে কম হয় – ৫০
থেকে – ৫৫ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড. তাই
এখানে ইঁট বসানোর সময়ে মিনারের গোল
দেওয়াল বেশী জমে গিয়ে হাওয়ার তোড়ে বেশী প্রতিক্রিয়া করত. মসজিদ ও মিনারের ছাত
এখানে করা হয়েছে ঢালু: তা না করে উপায়
নেই – বরফ পড়ে বলে. নরিলস্ক শহরের
প্রত্যেক বাসিন্দার জন্য বছরে প্রায় ১০ টন
করে বরফ পড়ে বলে মনে করা হয়! আবদুল্লা- হজরত গালিমভ নরিলস্ক শহরের
মসজিদে আজ মোটে পাঁচ মাস হল কাজ
করতে এসেছেন. তাঁকে এই
শহরে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয়
রাশিয়া থেকেই, রাশিয়ার ঐস্লামিক
বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠ সাঙ্গ করার পরে. তিনি কথা শেষ করার সময়ে বলেছেন: “এখানের আবহাওয়া সত্যই দক্ষিণের
এলাকার থেকে অনেকটাই আলাদা. এখানে সব
কিছুই অন্য রকমের – মেরু অঞ্চলের দিন
রাত্রি – বছরে ছয় মাস রাত ও ছয় মাস দিন.
এই রকমের শুধু হয়ে থাকে মেরু বলয়ের উপরে.
আর এখানে হাওয়ার চলে খুব জোরে. যদি -১০ ডিগ্রী তাপমাত্রা হয় ও তার
সঙ্গে জোরে হাওয়া বয়, তাহলে খুবই
ঠাণ্ডা লাগে. কারণ প্রত্যন্ত উত্তরের এই
জায়গায় সব কিছুই – অন্য. কিন্তু মানুষ – সেই
রকমেরই ও ধর্ম বিশ্বাস ও সেই রকমেরই. আর
আমার প্রধান কাজ হল – ধর্ম বিশ্বাসী দের পথ প্রদর্শন”.
Read More...

গিনেস বুক অফ ওয়াল্ড রেকডস>>বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা গাড়ি

Leave a Comment

প্রযুক্তির যুগে নিত্য নতুন কত কিছুই না আগমন
ঘটছে... এবং প্রতি নিয়ত আমাদের
বিষ্ময়ে তা কড়া নাড়ছে। এবার গিনেস বুক অব
ওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে বড় গাড়ি হিসেবে নাম
লিখালো আমেরিকার
ক্যালিফোর্নিয়াতে তৈরী একটি গাড়ী। শুধু গাড়ী বললে ভুল'ই হবে কারন এতে যুক্ত আছে অনেক কিছুই যা একটি গাড়ির ভিতর
থাকবে তা কল্পনার বাহিরে।
গাড়ি'টি লম্বায় ৩০.৫ মিটার বা ১০০ ফিট।
গাড়িটি চালাতে ২৬ টি চাকা ব্যবহার
করা হয়। এটির ডিজাইন করেছেন
ক্যালির্ফোনিয়ার বুরব্যাঙ্কের জে হরবির্গ। গাড়িটি বানানোর মুল লক্ষ্য হল হলিউডের
চলচ্চিত্রে ব্যবহার। এছাড়া বিভিন্ন
প্রদর্শনী তে এটি উন্মক্ত করা হবে।
সুইমিং পুল, বেড রুম, বসার জন্য আছে বিলাস
বহুল চেয়ার... এছাড়া ভিতরে আছে বড় স্পেস...
কিন্তু গাড়ির জন্য একটাই সমস্যা আছে তা হলো এটি পরিচালনা বা ড্রাইভিং করার
ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েতে হয় কারন এই বিশাল
গাড়িটি ড্রাইভারের নিজের আয়ত্তে রাখা খুব কষ্টকর
Read More...